August 25, 2026

যশোরের ঝিকরগাছায় উলাকোল সরকারি রাস্তা ব্যক্তি মালিকানার দখলে

0
received_687570275133869

স্টাফ রিপোর্টার।।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা শংকরপুর ইউনিয়নের উলাকোল বাজারটি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান হওয়ায় আশপাশের নায়ড়া, রাজবাড়ীয়া, হরিদ্রাপোতা, খাট বাড়িয়া, পোদাউলিয়া, কুমরি, কুলবাড়ি ও শংকরপুর এমন জে কাটি, গ্রামের মানুষ উলাকোল বাজারে এসে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করেন।
এর ফলে উলাকোল বাজার জমজমাট জনবহুল ও ব্যস্ততম বাজার বলে পরিচিত। যার কারণে বাজারে পাশ দিয়েই সরকারি রেকর্ডে একটি বাইপাস রাস্তাও আছে। রাস্তাটির এক মুখ খোলা থাকলেও বাজারের নিকটবর্তী মুখ জোট সরকারের সময়ে রাতের আঁধারে বন্ধ করে দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়।
২৩ ফুট চওড়া রাস্তার ২০ ফুটই দখল করে আছে, জামায়াত নেতারা দোকান নির্মাণ করে যাতায়াতের সরকারি রাস্তাকে ৩ ফুট গলিতে পরিণত করে। এতে বাইপাস রাস্তার পাশে থাকা ৫০ টিরও বেশি পরিবারের বাজারের সাথে যাতায়াত করতে এখন কয়েকশ মিটার রাস্তা ঘুরে আসতে হয়। এতে যেন তাদের ভোগান্তির শেষ নেই। একপর্যায়ে সরকারি এ রাস্তার উপর অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দিলেও তা এখনো অপসারণ করা হয়নি।
এব্যাপারে উলাকোল গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিককে বলেন, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব, গত রোববার যার যার স্থাপনা রাস্তার উপর থেকে সরাতে ১ সপ্তাহ সময় দিয়ে গেছে।
আমি আমার স্থাপনা পরের দিনই সরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু অন্যান্য যাদের অবৈধ স্থাপনা রয়েছে, তারা না সরিয়ে বরং ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। আমি সরকারি রাস্তা থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছি, তা নিয়েও কিছু জামায়াতের বুদ্ধিজীবী নিয়মিত ভাবে নতুন নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আমার দাবি, উলাকোল বাজারে রাস্তার উপর একটা অবৈধ স্থাপনাও যেনো না থাকে।
(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এক ব্যবসায়ী বলেন, জামায়াতে কিছু প্রভাবশালী নেতা ও চেয়ারম্যান, মেম্বাররা মিলে অবৈধ স্থাপনা যাতে না ভাঙ্গে তার জন্য বিভিন্ন চেষ্টা চালাচ্ছে।
উলাকোল গ্রামের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বলেন, ওপাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা রয়েছে কিন্তু ব্যবহার না করায়, যাদের মালিকানা জমি দিয়ে হাইওয়ে রাস্তা গিয়েছে, তারা ওই রাস্তা দখল করে নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করেন। তবে সরকারি রাস্তায় অবৈধ স্থাপনা যদি সরকার ভেঙে দেয় দিক। শংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিসার উদ্দীন অবৈধ স্থাপনার কথা স্বীকার করে বলেন, যাদের মালিকানা জমি দিয়ে হাইওয়ে রাস্তা করা হয়েছে তারাই ওপাশের রাস্তার দখলে রয়েছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *