July 26, 2026

কঠিন চক্রান্তের শিকার রিক্তা মিস্ত্রী, তামাশা দেখছে দেবর লেমন!

0
IMG-20260526-WA0024(1)

 

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ
খুলনার দাকোপে কৈলাশগঞ্জে ধোপাদী ০৩নং ওয়ার্ডের রিক্তা মিস্ত্রী স্বামী পলাশ মিস্ত্রী দীর্ঘদিন যাবত স্বামীসহ বাড়ির শরীকদের দ্বারা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার মর্মে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে জানা যায় দীর্ঘদিন নির্যাতিত রিক্তা মিস্ত্রী গ্রাম্য আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং ২৬/২০২৬, তারিখ ২০/০৫/২৬ ইং। মামলার অভিযোগে উল্লেখ , রিক্তার একটি ছেলে অরিত্র মিস্ত্রী। স্বামী পলাশ মিস্ত্রী তাদের খেতে, পরতে এমনকি ছেলের প্রাইভেটের টাকাও দেয় না। স্বামী পলাশ মিস্ত্রী নিজ ঘরে না থেকে বাবা মায়ের ঘরে থাকে ও খায়। প্রতিদিন রাত ১২/১টায় বাড়ি ফেরে । এর কৈফিয়ত চাইলে রিক্তা পলাশ মিস্ত্রী কর্তৃক মারধরের শিকার হয়। এই নির্যাতনের ঈন্দনদাতা হিসেবে কাজ করে লেমন, বিষ্ণুপদ, কৃষ্ণপদ ও কমলা মিস্ত্রী এবং উদ্দেশ্য ও ভিন্ন ভিন্ন । এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, রিক্তা মিস্ত্রী নির্যাতনের শিকার সত্যিই কিন্তু বিবাদীরা প্রভাবশালী ও আওয়ামী লীগের দোষর হওয়ায় কেউই তাদের সামনে মুখ খুলতে চায় না। গত ইং ১৯/০৫/২৬ তারিখ মঙ্গলবার রিক্তা বাড়ি না থাকার সুযোগে পলাশ মিস্ত্রী অন্যান্য বিবাদীদের সহযোগিতায় আলমারির ড্রয়ারে গচ্ছিত রাখা স্বর্নের ২টি রুলী,২টি চেইন,এক জোড়া কানের দুল ও একটি আংটি আত্মসাৎ করেছে।এটা বিবাদীদের, রিক্তাকে নির্যাতনের একটা চক্রান্ত। রিক্তা বলে, ” ২০২২ সালে একবার এই স্বর্নগুলো পলাশ আত্মসাৎ করেছিল। আমি যখন বললাম তোদের সামনে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করবো যদি আমার স্বর্ন না দিস।তারপর পলাশ ওর মায়ের কাছ থেকে স্বর্ণের টোপলা এনে দেয়। রিক্তা আরো বলে,” আমার ছেলে অরিত্র পেটে এলে ছেমন্ত্রনের সময় আমার পিতা পাঁচ ফুলের একটি আংটি দিয়েছিল সেটাও আমার শাশুড়ি কমলা মিস্ত্রী আমাকে দেয় না। ওটা দিয়ে ছেলেকে বশিকরন করে রেখেছে তাই আমার কাছে পলাশ আসে না ” । রিক্তা বলে, আমি স্বামী সন্তান নিয়ে সুখের সংসার গড়তে চাই ও আমার বাপের দেওয়া স্বর্নের জিনিসগুলো ফেরত পেতে চাই। আমার স্বামী ১২/১টায় বাড়ি ফেরার সুযোগে লেমন মিস্ত্রী আমার ইজ্জতের উপর হামলা দেয় তাই আমি ঘরে তালা দিয়ে ঘুমাই।একারনেই লেমন আমাকে মারার হুমকি দেয় ও পলাশকে কূ-পরামর্শের ঈন্দন দেয়। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed