আন্তঃজেলা খেয়াঘাট বাজুয়া টু দিগরাজ এ যাত্রী ভোগান্তির সীমা নেই। দেখবে কে ?
জীবন সরকার (ফটোসাংবাদিক)ঃ
খুলনার দাকোপে আন্তঃজেলা খেয়াঘাট বাজুয়া টু দিগরাজ নদী পারাপারে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে অনুসন্ধান কালে জানা যায়,উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা থাকলেও ইজারাদার তা মানছে না। পারাপারে যাত্রীরা বলছে,এতো পার হচ্ছি একদিন ও ঘাটের নৌকা পেলাম না সব জলদি। জন প্রতি ১২ টাকা,মটর সাইকেল ১০০/-, বাই সাইকেল ৬/-, হাতে দুই কেজি মাছে ১০/-, বহনযোগ্য ব্যাগেও ইজারাদারের ইচ্ছা মত মাশুল দিতে হয়। ঘাটে নেই কোন পারাপারের মূল্যতালিকা বোর্ড। জলদি ট্রলারের বিশাল সারি ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঝি জানায় প্রতিদিন সকালবেলা ঘাটের খেয়া একবার ছেড়ে যায় ফিরে আশে অন্য বেলায়। নামে মাত্র রয়েছে ঘাটের ট্রলার।জলদি ট্রলারে নির্ধারিত যাত্রী না তুলে অধিক যাত্রী নিয়ে চলছে। পারাপারে নিচ্ছে অধিক ভাড়া। এবিষয়ে মলয় নামের এক যাত্রী বলেন আমার কাছ থেকে জোরপূর্বক ২কেজি ওজনের একটি মাছের ব্যাগের ভাড়া নিয়েছে১০/- টাকা, এধরণের অভিযোগ অনেকের। মটর সাইকেলবাহী দুই যাত্রীর সাথে কথা বললে তারা বলেন একবার পার হতে ১০০/-টাকা গুন্তে হচ্ছে ট্রলারে। পিছনে একজন লোক থাকলে আরও ১২/- টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। এভাবেই যাত্রীদের কাছ থেকে জুলুম করে টাকা নিচ্ছে জানাবো কার কাছে?
ইজারাদার জিয়াউল হক (জিয়া) মুঠোফোনে ঘাটের দায় এড়াতে বলেন,” খেয়া দেওয়া হয় তবে শুক্রবার বন্দ থাকে”। অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বলে,” অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়না”। উল্লেখ্য এই ইজারাদারে বিরুদ্ধে খেয়াপারাপারের অনিয়মের কারনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করেছিলেন ভ্রাম্যমান আদালত। পরবর্তীতে মাসিক ডাকে অংশ গ্রহন করা অবস্হায় জিয়াকে বিরত থাকতে বলে প্রশাসন । প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জিয়াউল হক (জিয়া) ডাকে অংশ নেয়। অতিরিক্ত টাকায় ডাকনিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে চলেছে এই দূর্নীতি বাজ ইজারাদার। সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগীরা।