সাংবাদিক মনোনেশ দাস গুগল সার্চ ইঞ্জিনে
রিপন সারোয়ারঃ
সাংবাদিক মনোনেশ দাস গুগল সার্চ ইঞ্জিনে নিজের স্থান করে নিয়েছেন । তিনি চারণ সাংবাদিক ও নাগরিক সাংবাদিক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন ।
গুগল সার্চ ইঞ্জিনের শিরোনামে মনোনেশ দাস নিয়ে লেখা হয়েছে দুটি পাতায় ।
ময়মনসিংহে মফস্বল সাংবাদিক হিসেবে যাদের নাম সামনে আসে তাদের মধ্যে একজন মনোনেশ দাস। সাংবাদিক হওয়ার জন্য তাকে কেউ অনুপ্রাণিত করেনি। তিনি মফস্বলে সাংবাদিকতাকে একটি জীবনব্যাপী শিক্ষা মনে করেন। চারণ সাংবাদিক আখ্যা দিয়ে সম্প্রতি সংবাদপত্রে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। তোলা হয়েছে গুগলের পাতায় ।
আবার এর আগে সাংবাদিক মনোনেশ দাস নিয়ে লিখেছে মনোনেশ দাস একজন চারণ সাংবাদিক । জন্ম ২৩ মার্চ ১৯৭৫ । পেশা সাংবাদিকতা। বাসস্থান, মেইন রোড ঈশ্বরগ্রাম । গুগল সার্স ইঞ্জিনের পাতায় স্থান অর্জন করেছেন মনোনেশ দাস । সাংবাদিক মনোনেশ দাস একটি গ্লাস নিয়ে নাগরিক সাংবাদিক ব্লগ বিডি টুয়েন্টিফোর ডটকমে অর্থনীতি বাণিজ্য পাতায় একটি প্রতিবেদন লিখেন । সরকারী দল প্রধান বিরোধী দল প্রধানের ডিমান্ড কম – বেশি, সুবিধা অসুবিধা প্রকৃত রাজনৈতিক চিত্র মানুষের ভেতরের কথা তুলে আনার চেষ্টা করেন । যেখানে মানুষের ভেতরের কথাগুলো তুলে আনেন । মনোনেশ দাস খারমান উদ্ভিদ , অজানা এক উদ্ভিদের সন্ধান , শিকারি পাখি মাছরাঙা , গোয়াল ঘরে মা , গোয়াল ঘরে ফেলে রাখা সেই মায়ের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী , ভারতে যে বাড়িতে জন্মেছিলেন এরশাদ ছাড়াও অসংখ্য সংবাদ, প্রতিবেদন তথা লেখা পাঠকের দৃষ্টি টানে ।মফস্বলের সাংবাদিক হিসাবে তিনি একজন অনুকরণীয় অনুসরণীয় সাংবাদিক পথিকৃৎ মনোনেশ দাস চারণ ও নাগরিক সাংবাদিক ।
একান্ত সাক্ষাতকারে মনোনেশ দাস বলেন, সামাজিক মাধ্যমে নিজের চোখে দেখা ঘটনা ছবি দিয়ে বা লিখে বর্ণনা দেন, চারণ ও সিটিজেন জার্নালিস্ট। কাগজ কলমের যুগে সিটিজেন জার্নালিস্টদের ডিজিটালের প্রযুক্তি না থাকায় কতই না কষ্ট করতে হয়েছে। ডিজিটালের ¦ইে যুগে ফেসবুক টুইটারে লেখা ও ছবি মুহূর্তেই আপলোড করা যায় । এসব পোস্ট সামাজে ভাল মন্দের দুই দিকই আছে। সিটিজেন জার্নালিস্টরা মূল ধারার সাংবাদিকতার সহায়ক নাকি প্রতিবন্ধক এমন প্রশ্ন খোদ সাংবাদিকরাও তুলেন ।
জার্নালিস্টদের প্রধান কাজ সোসাইটিকে আটকে থাকা সত্য ঘটনাটি খুঁজে এনে যথাযথ সংরক্ষণের মাধ্যমে সিটিজেনের সামনের তুলে ধরা। সিটিজেন জার্নালিস্টরা তাদের প্র্যাাকটিস দিয়ে এই সত্য তুলে ধরেন তেমনি সিটিজেনের কাছে সত্য সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে আস্থাশীল বা আস্থার প্রতীক হন। প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিকরা সংবাদের ভেতর বাহির সকল কিছুই জানেন, অর্থাৎ তাদের প্রচারিত সংবাদের মারপ্যাচে আইনের ফাঁক ফোঁকর দিয়ে রক্ষার কৌশল জানেন । আবার সিটিজেন জার্নালিস্টরা সাধারণ এত কিছু বোঝেন না। তারপরও গণতন্ত্রের সংকটগুলো তুলে ধরে সুনাগরিক হওয়ার পথ দেখান। ফেসবুক টুইটারসহ সামাজিক মাধ্যমে সিটিজেন জার্নালিস্ট প্র্যাাকটিসের সুযোগ থাকলেও ব্লগ বা অনলাইন পোর্টালে তেমন নেই । ব্লগ বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম সিটিজেন জার্নালিস্ট গড়ার এক সুবিশাল পরিধি উন্মোচন করে রেখেছে। নাগরিক সাংবাদিকদের মেধা বিকাশে পথিকৃৎ হিসাবে কাজ করছে । এটি সিটিজেন জার্নালিস্টদের জন্য বিশাল প্রাপ্তি । যেখানে প্রথম আলো ব্লগ সিটিজেন জার্নালিস্টদের প্লাটফর্মটি ধরে রাখতে পারেনি সেখানে বিডি নিউজ ধরে আছে অনেক চড়াই উৎরাই পার করে। এজন্য কর্তৃপক্ষ ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য ।
পত্র পত্রিকা বা ইলেট্রনিক মিডিয়ায় যেকোন সংবাদের পেছনে একটি টিম বা কর্তৃপক্ষ থাকে। প্রকাশের পূর্বে টিম ভালভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বাছাই শেষে নিতিমালা অনূসরণ করেন । সিটিজেন জার্নালিস্ট এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন । পজেটিভ নেগেভিট যাই লিখুক সম্পূর্ণ কাজটি তাকে একাই করতে হয়। স্বাধীন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে স্বকীয়তা বজায় রাখা সূক্ষ্মতা ও প্রচ্ছন্নতায়। সরকার নীতি, বিরোধী নীতি, নেতার আদর্শ, চ্যুতি বিচ্যুতি, রাজনীতির রঙ বেরঙ, সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বজায় রাখা, খুন, ধর্ষন, সামাজিক অবিচার, মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, অপহরণ অর্থাৎ অপরাধ সংক্রান্ত এবং উন্নয়ন সংক্রান্ত , আতœনীর্ভরশীল মানুষের উপাখ্যান, মানবিক মানুষদের কর্মকান্ডের সংবাদসহ ভাল মন্দ সংবাদ সিটিজেন জার্নালিস্টগণ প্রকাশ করেন । জনস্বার্থ বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করেন আবার জনস্বার্থ সংরক্ষণে সত্য বা পরীক্ষিত তথ্যের সুরক্ষা দেন। নির্ভীক ও তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সিটিজেন জার্নালিস্টগণ নিজেদের পরিধি বিকাশ ঘটিয়ে সুনাগরিক হওয়ার পথ দেখান।