মুন্সীগঞ্জে সমাজসেবক আলহাজ্ব নুর ইসলাম গাজী নেতৃত্বে বাঁধ নির্মাণ
ইসমাইল হোসেন সাতক্ষীরাঃ
শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর বাজারের ( প্রায় ৪৫০ ফুট ) রিং বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের তান্ডবে আবার ফুলু হয়ে আংশিক ভেঙে যাওয়া বেড়ী বাঁধের নির্মাণ কাজ সমাজসেবক আলহাজ্ব নূর ইসলাম গাজী নেতৃত্ব সম্পূর্ণ হয়েছে। ফলে হরিনগর বাজার দোকান ব্যবসায়ীরা ক্ষয়ক্ষতি ও দুর্দশার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ইয়াস এর প্রভাবে নদীর পানি ৪/৫ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউনিয়নের বহুস্থানে পাঁউবোর বেড়ী বাঁধ ওভারফ্লো হয়ে এবং ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের সিগন্যাল পাওয়ার সাথে সাথে ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সমাজসেবক, নূর ইসলাম গাজীর নেতৃত্বে ,স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় রিং বাদ দেওয়া হয়েছিল তারপরেও কিছু কিছু জায়গায় রিং বাঁধ ওভারফ্লো এবং তুফানে ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে বাঁধ রক্ষার কাজ করার কোনো বিকল্প ছিল না।তারপরও কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি বাজারের দোকান ব্যবসায়ী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে হরিনগর বাজার টি রক্ষা করেছেন।এ বিষয়ে স্থানীয় কসমেটিক ও মোদি দোকান ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম শেখ, সহ কয়েকজন দোকান ব্যবসায়ীরা কালের চিত্র কে জানান আমরা যে পরিমাণ নদীর পানি বৃদ্ধি হয়েছিল দেখে দোকানের মালামাল সরিয়ে রাখছিলাম কারণ আমাদের ভরশা ছিল না যে হরিনগর বাজার টিকে থাকবে, কিন্তু রাখার মালিক আল্লাহ আর আমাদের হেল্লা হয়েছিল আলহাজ্ব নুর ইসলাম গাজী, সে আমাদের জন্য অনেক কিছু করেছে তার প্রতিফল হয়তো আমরা কখনো দিতে পারবো না।এ বিষয়ে সমাজসেবক আলহাজ্ব নুর ইসলাম গাজী কালের চিত্র কে জানান গত( ২৫শে মে) যেভাবে জোয়ারের চাঁপ দেখছিলাম (২৬শে মে) হরিনগর বাজার সহ মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাই আমি নিজ অর্থায়নে,৪০০ বস্তা এবং মাটি না থাকায় (২,০০০ফুট ) সিলেকশন বালি দিয়েছি যার মূল্য (১,৪০,০০০টাকা),এবংলিভার খাটিয়েছি (৩৬০জন)যাহারা দিনভর কাজ করছিল তাদের দিয়েছি ৫শ টাকা ,যাহারা হাফ বেলা কাজ করছিল তাদের দিয়েছি ৩শ টাকা , সর্বমোট লিভারকে দিয়েছি (১,২৬,০০০টাকা) ,এরং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাকে লিভার প্রতি ১শ টাকা দিয়েছে, হরিনগর বাজারে রিং বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় আমাদের কাজ চলমান আছে।