নড়াইল জেলার সালেহা বেগমকে পুড়িয়ে হত্যা ঘটনায় ১৬৪ ধারায় জবান বন্দী পুত্রবধুরা
মোঃ এনামুল হক- লোহাগড়া নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইল জেলা কালিয়া উপজেলার জামরিলডাঙ্গা গ্রামের মৃত্যু নুর আলী খন্দকারের স্ত্রী সালেহা বেগম (৭৫) বছরের বৃদ্ধাকে পুড়িয়ে হত্যার রহস্য বেরিয়ে এসেছে।সালেহার দুই পুত্রবধু কুলসুম এবং নার্গিস আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছেন।নড়াইলের আমলী আদালত কালিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোরশেদুল আলম এর আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসি তদন্ত মোঃ আমানুল্লাহ আর বারী তিনি জানান শুক্রবারে দুপুরে নিহত সালেহা বেগমের পুত্রবধু আরিফ খন্দকারের স্ত্রী কুলসুম , ইরুপ খন্দকারের স্ত্রী নার্গীস বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
সালেহার ছেলে ইরুপ খন্দকার জামাই মিরাজ ও আরিফ খন্দকারের ছেলে রাশেদ খন্দকার পুড়িয়ে হত্যা করার কথা স্বীকার করে। সালেহা বেগমের ছেলে ৯ মাস আগে নিহত আরিফ খন্দকার হত্যা মামলার আসামীদের শায়েস্তা করতেই এই ঘটনা ঘটায়।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন।
পুত্রবধু ইরুপ খন্দকারের স্ত্রী নার্গীস দাবী করেন পুলিশ ভয় দেখিয়ে জবানবন্দী দিতে বাধ্য করেছে।
গত ২২ মে রাতে পুড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।তিনি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থতাজনিত অবস্থায় বাড়ির বারান্দায় পাটকাঠি দিয়ে ঘেরা ছোট্ট একটি রুমে রাত্রি যাপন করতেন। সালেহা বেগমের মেয়ে মিনি বেগম বাদী হয়ে ১১ জনের নামে এবং অজ্ঞাতনামা ৭ জনকে আসামি করে কালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায়(পিপিএম বার) সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ইরুপ খন্দকার দাবি করেন তার ভাইয়ের হত্যাকারীরা জেল থেকে বেরিয়ে এসে বৃদ্ধা মাকে হত্যা করেছে। আমার ভাই আরিফ খন্দকার হত্যা মামলাটি মিমাংশা না করায় আমার মাকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।পরিকল্পিত ও নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনার প্রকৃত দোষীদের সনাক্ত করে
দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবী করেছেন। কালিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আমানুল্লাহ আর বারী বলেন ঘটনার পর মামলাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কাজ চালানো হয়েছে। নিহত সালেহা বেগমের দুই পুত্রবধু নার্গীস ও কুলসুমকে জিজ্ঞাসাবাদের নাম প্রকাশ করেছে।সে মোতাবেক আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে। প্রকৃত দোষীরা আইনের আওতায় আসে সে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।