September 2, 2026

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আঘাত হানার আগেই শ্যামনগর উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার আসংখ্যা ৪৩ পয়েন্টে নদীর বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকি

0
received_291119749387260

 

মো:ইসমাইল হোসেনঃ

ঘূর্ণিঝড় “ইয়াস” আতঙ্কে শ্যামনগর উপকূলবাসী
৪৩টি পয়েন্টে নদীর বেড়িবাঁধ মারাত্মক ঝুঁকি ৷
বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকুল এলাকার মানুষ সব সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারণে তাদের সসম্বল হারিয়ে নিস্ব হয়ে যায়। প্রতিবছর একাক সময় একাক রকম দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হয় উপকূলের মানুষদের।কখনো ঝড় আবার কখনো নদীর বেড়ী বাঁধ ভেঙে পানিতে প্লাবিত হয়ে। কখনো বন্যায় প্লাবিত হয়ে থাকে।সম্প্রতি সব চেয়ে বড় দুর্যোগ বলে মনে করেন নদী ভাঙ্গন।এ নদী ভাঙ্গন যেন উপকূলের মানুষের পিছু ছাড়ছে না। তবে নদী ভাঙ্গন কে সরকারি অবস্থাপনাকে দায়ি করেন উপকূলের মানুষ।গত বছর আম্পান ঝড়ের পরে উপকূলের মানুষের যে পরিমান ক্ষয় ক্ষতি হয়ে সে গুলো কাটিয়ে উঠতে পারিনি।তার আবার বড় ধারণের প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসার পূবাস শোনা যাচ্ছে। যদি এ যশ নামের ঝড় এ এলাকা দিয়ে বয়ে যায় তাহলে উপকূলের মানুষের চরম দুর্ভোগ নেমে আসবে।উপকূলের মানুষের এধারনের দুর্যোগ থেকে পরিত্রান পাওয়া উপায় হল টেকসই বেড়ী বাঁধ নিমাণ করা। কিন্তু আম্পানের পরে এলাকায় বেড়ী বাঁধের ৪৩ টি ঝুঁকি পূণ স্থান।খুব দ্রুরত্ব যদি ঝুঁকি পূণ স্থান গুলো কাজ না করা যায় তাহলে সামনে যে যশ নামের ঝড় আসতেছে তা উপকূলের মানুষ তাদের সর্বস্ব হারাবে। ঝুঁকি পূণ স্থানের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ ৭টি,বুড়িগোয়ালীনি ৮ গাবুরায় ১৪হটি,পদ্দোপকুর ৮টি,কাশিমাড়ী ৩টি আটুলিয়ায় ৩টি পয়েন্ট গুলো খুব ঝুঁকিপূণ।মুন্সীগঞ্জ বড় ভেটখালী গ্রামের সাইফুল ও রবি সরদার বলেন, আম্পানের সময় বড় ভেটখালির গোড়া ভাঙ্গন দেখা দেয়। তারপরে সেটা ঠিক করা হয়নি। সামনে যে ঝড় আসতেছে সে ঝড়ের আগে যদি এভাঙ্গনে কাজ করা না হয় তাহলে বাঁধ ভেঙ্গে যাবে। ক্ষতি এলাকার হাজার হাজার বিঘার জমির মৎস্য সম্পদ। হরিনগর সিংহড়তলী গ্রামের বিশ্বজিত রায় বলেন, আম্পানের পরে সিংহড়তলীর ভাঙ্গন দেখা দেয় পানি উন্নয় বোডের্র লোকদের বলার পরে কাজ করিনি। সামনে যে যশ ঝড় আসতেছে সে ভয়ে আতঙ্কে আছি যাদি ভাঙে যায় তাহলে আমারদের সব ধংস্ব হয়ে যাবে। বুড়িগোয়ালীনির দূগাবাটি গ্রামের দিনেশ মন্ডল ও রতি রাণী বলেন, আম্পানের সময় বাঁধ ভেঙে ঘর বাড়ি সব পানি উঠে গাছ পালা নষ্ট হয়ে গেছে এখনো লাগাতে পারিনি।আবার শুনছি নতুন করে যশ নামের ঝড় আসবে।আমাদের ওবদার রাস্তা গুলো ঠিক করে দিলে আর পানিতে ভাসতাম না।এবার যদি পানি ডোকে তাহলে কথায় যাব। মুন্সীগঞ্জ ইউপি ছেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোড়ল বলেন,মুন্সীগঞ্জে ৭ পয়েন্ট খুব ঝুঁকিপূণ আমি বার পান্নি উন্নয়ন বোডের্র বলার পরেও তারা কাজ করছে না।সামনে যশ নামের যে ঝড় আসতেছে এই ঝড়ে আনেক জায়গা ভাঙার সম্ভবনা আছ।জেলা পরিষদের সদস্য ডালিম ঘরামী বলেন,আম্পানের রেশ কাটতে না কাটতে আবার যশ নামের ঝড়ের প্রবাস শোনা যচ্ছে। উপকূলীয় এলাকা নদী বেষ্ঠিত এলাকা।এখানে ঝুঁকিপূণ বেড়ী বাঁধের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্যোগের সম্মূখিন হতে হয়।সরকারি মহল থেকে বাবার আশ্বাস প্রধান করলেও তা বাস্তবায়ন করতে দেখা যায় না। যে কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসলে আতঙ্কিত থাকে। বুড়িগোয়ালীনি ইউপি চেয়ারম্যান ভবতোষ কুমার মন্ডল বলেন,আমার ইউনিয়ানে ৮ টি ঝুঁকি পূণ পয়েন্ট আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *