September 1, 2026

ঝিনাইগাতীতে গত ৫ মাস আগে বনের জমি উদ্ধার নাটক করেন অন্যের সুবিধার্থে। এখনো ব্যাবস্থা নেয়নি প্রশাসন

0
received_147214027350919

 

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহ বন বিভাগের অধীনস্থ শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধ্যাকুড়া বিটের হলদীগ্রাম মৌজায় গত ৪ নভেম্বর বুধবার ২০২০ (৫ মাস পূর্বে) বন বিভাগের প্রায় ১ একর জমি উদ্ধার নাটক করেন অন্যের সুবিধার্থে। সেখানে বাগান সৃজন করা হয় সরকারি অর্থে। তখন ওই ১ একর জমি রোস্তম নামে এক অসহায় ব্যক্তির দখলে ছিল। রোস্তম পরিবার পরিজন নিয়ে ৫০/৬০ বছর ধরে ওই জমিতে আবাদ ফসল ও ছোট একটি কুড়ে ঘর তৈরি করে কোন রকম মাথা গোজার ঠায় করেছিল। এছাড়াও ওই জায়গায় রোস্তমের স্ত্রী, পুত্র সহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার বালু মজুদ করে রেখেছিল রোস্তমের বোন জামাই হানিফ উদ্দিন । কিন্তু বন বিভাগের জায়গা হওয়ায় ওই বালিগুলি শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক প্রাণতোষ রায়ের নির্দেশে মধুটিলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল করিম ও সন্ধ্যাকুড়া বিট কর্মকর্তা ইবনে সিরাজ বালি গুলো সিজ দেখিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা দাম সাব্যস্ত করিয়া নিলামে বিক্রি করিয়া দেয়। বন বিভাগের কর্মকর্তারা এতেও ক্ষান্ত না হয়ে গত ৪ নভেম্বর বুধবার ২০২০ ইং তারিখ দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুবেল মাহমুদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে মধুটিলা ও রাংটিয়া রেঞ্জের যৌথ অভিযানে জবরদখলকৃত জায়গা থেকে রোস্তমের বাড়ী ঘর ভেঙে দিয়ে তাকে উচ্ছেদ করে ওই জমি উদ্ধার করা হয়। ৬ মাস যেতে না যেতেই ওই জমিতে বন বিভাগের রোপনকৃত গাছপালা ভেঙে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগ সাজস্যে জৈনক আল আমিন নামে গং বালু ব্যবসায়ীরা ওই স্থানে বালু রেখে বাগান ক্ষতি করেছে বলে বন বিভাগ কর্মকর্তা ইবনে সিরাজ জানান। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী বলেন, গরীবের মাথা গোজার ঠায় উচ্ছেদ করে বালু দস্যুকে ওই জায়গা দেওয়ার পরিকল্পনা করেই দরিদ্র রোস্তম আলীকে উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং প্রায় ২০/২৫ টি মামলা করেছে ঐ গরীব অসহায় রোস্তম আলীর পরিবারের উপর যা চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে বিট অফিসার ইবনে সিরাজ। বিট অফিসার ইবনে সিরাজ তিনি মামলাবাজ হিসেবে আক্ষায়িত হয়েছে এলাকায়। মূলত বিট অফিসার ইবনে সিরাজ টাকার বিনিময়ে বালু উত্তোলন ব্যবসায়ীদের পরামর্শেই এই কাজ গুলো করেছেন বলে এলাকাবাসী জানান।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *