কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে হত্যার উদ্দেশ্য যুবককে কুপিয়ে যখম
ফিরোজ আলম,নিজস্ব প্রতিনিধি কুুুুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার পাগলারহাট বাজারে ১৪/০৭/২০ ইং তারিখে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় মোঃ জুলফিকার আলী নামক নামে এক যুবক কে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।জুলফিকার আলীর পিতা আবু বক্কর সিদ্দিক(৫৫) জানান মোঃ ওয়াজেদ মিয়া (২৪),পিতা-মোঃ অাব্দুর রহিম মুন্সি,মোঃ অাশরাফুল ইসলাম (২৫),পিতা-মোঃ মোজ্জামেল হক,মোঃ লিমন মিয়া (২০), পিতা-মোঃ খোরশেদ অালম (উত্তরছাট গোপালপুর),মোঃ মানিক মিয়া (২১), পিতা-মোঃ মালেক মিয়া,মোঃ সুমন তরফদার (২১), পিতা-মোঃ চাঁন মিয়া,মোঃ রাজন মিয়া (১৮),পিতা-মৃত কদ্দুস অামিন,মোঃ রাফেল মিয়া (২৬), পিতা-মোঃ সবুর উদ্দিন,মোঃ শাকিল হোসেন(১৯) পিতা-মোঃ অাব্দুর রহিম,মোঃ মিন্টু মিয়া (৩০), পিতা-মোঃ অাব্দুল কাদের সাংঃদক্ষিণ ধলডাঙ্গা,থানা-ভূরুঙ্গামারি, জেলা; কুড়িগ্রাম, “মানবিক সংগঠন” ও পাগলারহাটের এনামুল হকের নেতৃত্বধীন অবৈধ “পাগলাহাট সেচ্ছাসেবক সংগঠন” এর সদস্যবৃন্দ এলাকায় স্থানীয় কিছু গরু ব্যবসায়িদের নিকট চাঁদা দাবি করে এবং ১১/০৭/২০২০ ইং তারিখে দিবাগত রাতে অানুমানিক ০৩;০০ ঘটিকায় গরু ব্যাবসায়িদের চাঁদার টাকার জন্য ধাওয়া করলে উক্ত গরুর ব্যবসায়ীরা আমাদের বাড়ির ভেতরে গিয়ে চিৎকার করতে থাকে। অামি ও অামার ছেলে মোঃ জুলফিকার আলী (২২) এর ঘুম ভাঙ্গলে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির ভিতর সন্ত্রাসীদের দেখতে পাই এবং তাদেরকে বাড়ির ভিতর থেকে বাহির হতে বললে সন্ত্রাসীরা অামাকে এবং অামার ছেলেকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ ও বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি ও হুমকি প্রদান করে এ ঘটনা অন্য কাউকে প্রকাশ করতে নিষেধ করে।ইতোমধ্যে গরু ব্যবসায়ীরা উপরোক্ত বিষয়বলী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইসমাঈল হোসেন কে অবগত করলে তিনি সহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ গত ১৩/০৭/২০২০ ইং তারিখ রাত্রি ৯ ঘটিকার সময় শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদে সন্ত্রাসীদের আমাদের স্থাণীয়ভাবে অাপোশ মিমাংসা করে এবং তাদেরকে সংযত থাকা সহ এলাকার অাইন শৃঙ্খলা যেন বজায় থাকে সে বিষয়ে তাদেরকে শাসন করে।উপরোক্ত ঘটনার বিষয়ে অামার ছেলে মোঃ জুলফিকার আলী সন্ত্রাসীদের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাক্ষী দেয়ার কারনে ঘটনার দিন ১৪/০৭/২০২০ ইং তারিখঅানুমানিক সন্ধ্যা ০৬;০০ ঘটিকায় পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে অামার ছেলেকে অাটক করে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা সকলে মিলে এলোপাতাড়ি কিল,ঘুষি ও চর থাপ্পড় মেরে অামার ছেলেকে বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখম করে।এদিকে তাদের মারপিটের ভয়ে অামার ছেলে তার পরিচিত লোকজনদের ফোন করলে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা পুনরায় ০৬;২০ ঘটিকায় মিলিত হয়ে রাফেল মিয়া ও শাকিল হোসেনের নেতৃত্বে বাঁশের লাঠি ও গাছের ডাল ও রামদা দিয়ে পাগলাহাট প্রাইমারি স্কুলের সামনে মারপিট করতে থাকে। মারপিটের একপর্যায়ে লিমন মিয়ার হাতে থাকা গাছের ডাল ও রামদা দিয়ে অামার ছেলের মাথায় আঘাত করলে মাথার মাঝখানে লেগে রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হয়।পরবর্তিতে ওয়াজেদ ও আশরাফুলের হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে জুলফিকারের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মারপিট করে বেশ কিছু হাড় ভেঙ্গে জখম করে এবং মারপিট সহ্য করিতে না পেরে অামার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পরে গেলে রাজন তার দুই হাতে জুলফিকারের গলা টিপে ধরলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়।পরে বাজারের স্থানীয় লোকজন অসুস্থ জুলফিকারকে উদ্ধার অটো রিক্সা যোগে ভূরুঙ্গামারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যায়।শিলখুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইসমাঈল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চত করে বলেন “আমরা সকলে মিলে একটা সমাধান দেয়ার পরও পরিকল্পিত ভাবে জুলফিকারের উপর হামলা একটা চরম ধৃষ্টতা,আমি অপরাধদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি”।
এ ব্যাপারে জুলফিকার আলীর পিতা ভুরুঙ্গামারী থানায় অভিযোগ করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন ভুরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ এবং তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।বর্তমানে জুলফিকার আলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সাধারণ জনগন,বনিক সমিতি,গরু ব্যবসায়ী অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের এবং তাদের গডফাদার “,পাগলারহাট স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন” এর মুল হোতা এনামুল হকের শাস্তি দাবি করেন এবং এ সকল অবৈধ সংগঠনের চাদাবাজী সহ অন্যান্য অপকর্মের সকল অবৈধ কার্যক্রমের মুলৎপাটনে পুলিশ প্রশাসনের সহয়তা কামনা করেন।
Tukai pulapan, mastani korte jeye oder mair oder e lage, vua news banayse taka khawar jonno
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি, জুলফিকার আর তার দল এলাকায় চাদাবাজি করে, স্থানীয় পাওয়ার দিয়ে জা ইচ্ছা তারা এলাকায় তাই করে মারপিট করে, তারা বিভিন্ন কিশোর গ্যাং এর সাথে জরিত, জুলফিকার আর তার দল টাকার বিনিময়ে মারাপিট করে, পাগলারহাটের মানুষ জন পুলিশ এর কাছে সত্তি কথা বলেছেন, জুলফিকার আর তার দল নিয়ে মারামারি করতে যেয়ে, সেখানে ছাত্রলিগের ছেলে কে খুব মেরে আহত বানিয়ে দেয়, তখন এলাকাবাসী আর ছাত্রলীগের পুলাপান ঘটনাস্থলে পৌছায়, জুলফিকার এর দল তাদের কে মারতে জেয়ে আর হাতা হাতি করতে জেয়ে জুলফিকার এর দলের এক ছেলে ছাত্রলীগের ছেলে কে মারতে জেয়ে, জুলফিকার এর মাথায় লাগে, ওদের মার ওদের লেগে মাথা ফেটে জায়, হাল্কা, এটা নিয়ে এখন, মামলা করে কিছু টাকা খাওয়া জায় জদি তাই জুলফিকার এই রকম নিউস বানিয়েছেন, পাগালার হাট বাজারের সকল মানুষ জানে এই বিষয় টা, জুলফিকার কেমন খারাপ ছেলে