August 25, 2026

অবশেষে কুমিল্লায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ স্বস্তিতে নেতাকর্মীরা

0
০৩

কুমিল্লা নগরীর প্রতিটি অলি-গলিতে হাঁটতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখে পড়ছে অপরিচিত মুখ। পরিচয় জিজ্ঞেস করতেই জানাচ্ছেন যে তারা বিএনপির নেতাকর্মী। তারা এসেছেন বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ করতে। এদের কেউ উঠেছেন আত্মীয়-স্বজনের বাসায়, কেউ থাকছেন আবাসিক হোটেলগুলোতে।

আবার কেউ থাকছেন দলের নেতাদের ব্যবস্থা করা আবাসনে। আবার অনেকে বৃহস্পতিবার রাতে থেকেছেন সমাবেশস্থলেও।

 

অন্যান্য বিভাগে সমাবেশের সময় পরিবহন ধর্মঘট বিএনপিকে বেকায়দায় ফেললেও কুমিল্লায় দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। নেতাকর্মীদের আশঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কুমিল্লায় পরিবহন ধর্মঘটের মতো পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যায়নি এখনো। এর মূল কারণ হচ্ছে,  কুমিল্লার ভৌগলিক অবস্থানই স্বস্তিতে রেখেছে বিএনিপর নেতাদের।

২৬ নভেম্বর (শনিবার) কুমিল্লা নগরীর ঐতিহ্যবাহী টাউন হল মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সমাবেশ। এতে অংশ নেবেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা, কুমিল্লা উত্তর জেলা, কুমিল্লা মহানগর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি। সমাবেশের দু’দিন আগেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কুমিল্লা নগরীতে যেন ঢল নামতে শুরু করেছে দলটির নেতাকর্মীদের। এসব নেতাকর্মীদের জন্য আবাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি ভুরিভোজের ব্যবস্থাও করেছেন কুমিল্লা বিএনপির চিরচেনা দুই গ্রুপের নেতারা।

শুক্রবার সকালে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলা ও পাশের জেলাগুলো থেকে আসা নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দলের র্শীষ নেতা খালেদা জিয়ার মুক্তি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবি, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, দলের নেতাকর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে বিএনপির চলমান বিভাগীয় গণসমাবেশগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় ফেলেছিল হঠাৎ করে ডাক দেওয়া পরিবহন ধর্মঘট। সবশেষ গত শনিবার দলটির সিলেট বিভাগের গণসমাবেশর সময়ই একই চিত্র দেখতে পেয়েছেন তারা। এজন্য আগাম প্রস্তুতি হিসেবে অনেকে দুদিন আগেই চলে এসেছে।

বিভাগীয় গণসমাবেশকে ঘিরে এরই মধ্যে উজ্জীবিত হয়ে উঠেছেন কুমিল্লার বিএনপির নেতাকর্মীরা। কুমিল্লা নগরী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও যেন হঠাৎ প্রাণ ফিরে পেয়েছে দীর্ঘদিন ঝিমিয়ে থাকা দলটি। কুমিল্লার বিএনপির নেতারা বলছেন, দলের নেতাকর্মীসহ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটিয়ে স্মরণকালের বৃহৎ সমাবেশ করবেন তারা। এজন্য সকল বাধা উপেক্ষা করে গণসমাবেশ সফল করতে তারা ব্যাপক প্রস্তুতিও নিয়েছেন। বিভাগীয় সমাবেশকে সফল করতে ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এজন্য পাঁচটি ইউনিটের নেতাকর্মীরা দিন-রাত এক করে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কুমিল্লার বিএনপির নেতাদের প্রত্যাশা, সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে দলটির গণসমাবেশের সময় হঠাৎ পরিবহন ধর্মঘটের ঘটনা ঘটলেও কুমিল্লায় এমনটা হবে না। কারণ কুমিল্লার ভৌগলিক অবস্থানই তাদেরকে এই চিন্তা থেকে রেহাই দিয়েছে। এজন্য পরিবহন ধর্মঘটের বিষয়টি নিয়ে ভাবেছন না তারা।

কুমিল্লা মহানগর ও জেলা বিএনপির একাধিক নেতার ভাষ্য, কুমিল্লার গণসমাবেশকে ঘিরে অন্যান্য বিভাগের মতো ঘটনা ঘটলে উল্টো সমস্যায় পড়বে সরকার ও পরিবহন মালিকরা। কারণ দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মধ্যবর্তীস্থান কুমিল্লা। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মধ্যবর্তীস্থানও কুমিল্লা। কুমিল্লা জেলার বাইরে চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নেতাকর্মীরা কুমিল্লায় আসতেও খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না। ট্রেন ও সড়কের বেশ কয়েকটি পথে দুই জেলা থেকে দলটির নেতাকর্মীদের কুমিল্লায় প্রবেশের সুযোগ রয়েছে। তবে এরপরও দূরের নেতাকর্মীদের সমস্যার বিষয়টি মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন দলটির একাধিক নেতা।

একই সুরে কথা বলেছেন কুমিল্লার পরিবহন নেতারাও। তাদের ভাষ্য, বিএনপির কুমিল্লার বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে অন্যান্য বিভাগগুলোর মতো পরিবহন ধর্মঘট হবে- এমন চিন্তা মাথায়ও আনছেন না তারা। ভৌগলিক কারণে কুমিল্লায় যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের অর্থনীতি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি কবির আহমেদ বলেন, আমরা বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ধর্মঘটে যাবো না। এটাই আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। আর পরিবহন বন্ধ থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন মালিকরা। তাই তাদের (বিএনপির) বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা স্বাভাবিক নিয়মের পরিবহন ব্যবস্থা চালিয়ে যাবো।

কুমিল্লা মহানগর বিএনপি নেতা কাউসার জামান বাপ্পী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ‘নাভি’ হলো কুমিল্লা। এগুলো দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন। আমার বিশ্বাস সরকার চাইলেই কুমিল্লায় পরিবহন বন্ধ করে দিতে পারবে না। সুতরাং আমরা বিষয়টিকে মাথায়ই আনছি না। তারপরও আমাদের প্রস্তুতি তো রয়েছেই। এছাড়া সরকার এরই মধ্যে বুঝে গেছে পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের চাপ দিয়ে গাড়ি বন্ধ রেখে বিএনপির নেতাকর্মীদের জনস্রোত আটকে রাখা যায়নি।

কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, দেশের অন্যান্য বিভাগগুলোর মতো কুমিল্লায় বিএনপির নেতাকর্মীর স্রোত আটকাতে পারবে না কেউ। বরং অন্যান্য জায়গার তুলনায় কুমিল্লায় বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেক বেশি উজ্জীবিত। আমরা ভৌগলিক কারণে বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত না। এরপরও শত বাধা এলে পায়ে হেঁটে, বাইকে করে হলেও সকল নেতাকর্মী সমাবেশে এসে যোগ দেবেন। এছাড়া যারা আগে আসবেন তাদের বিষয়েও আমরা সকল প্রকার ব্যবস্থা রাখবো। আশা করছি কুমিল্লায় ধর্মঘট নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

এদিকে, কুমিল্লায় সমাবেশের আগে ধর্মঘটে বন্ধ হয়ে যেতে পারে পরিবহন। তাই দলীয় নেতাকর্মীরা যারা আগে আসবেন, তাদের থাকার জন্য নির্মাণাধীন ও নির্মিত ভবনে মোট ৭৮টি ফ্ল্যাট প্রস্তুত করেছেন বলে জানিয়েছেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। সাক্কু বলেন, আমি এরই মধ্যে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৭টি উপজেলার নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আসতে বাধা দেওয়ার সমস্যা হলে তারা যেন আগেই এসে খাওয়া-দাওয়া ও থাকার সুযোগ পায় সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা করছি। আমার টার্গেট ৪০ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করা।

অপরদিকে, অন্যান্য বিভাগগুলোতে বিএনপির সমাবেশের সময় নেতাকর্মীদের আসতে বাধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগ থেকেই কুমিল্লা নগরী ও আশপাশের আবাসিক হোটেলগুলোর রুম বুকিং করে ফেলেছেন দলটির কুমিল্লার নেতারা। যেন ২৬ নভেম্বরের আগেই কুমিল্লায় এসে অবস্থান নিতে পারেন নেতাকর্মীরা। কুমিল্লা নগরী ও আশ-পাশের আবাসিক হোটেলের মালিক ও ম্যানেজারদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
কুমিল্লার শতাধিক আবাসিক হোটেলে আনুমানিক হাজার খানেক থাকার কক্ষ রয়েছে রয়েছে। এসব হোটেলের প্রায় সবগুলোতেই ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সব রুম বুকিং হয়ে গেছে। নগরীর রেসকোর্স এলাকায় রেড রুফ ইন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ওয়াহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের হোটেলে ২৮ জনের থাকার ব্যবস্থা আছে। ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই হোটেলে কোনো সিট খালি নেই। ’ নগরীর শাসনগাছা এলাকার ঢাকা রেস্ট হাউসের পরিচালক হাজী আহাম্মদ আলী ও কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের বৃহৎ ও পুরনো প্রতিষ্ঠান হোটেল নুরজাহান কর্তৃপক্ষও একই কথা বলেছেন।

২৬ নভেম্বরের গণসমাবেশ উপলক্ষে এরই মধ্যে নেতাকর্মীদের উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি থাকবেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে পুরো নগরী সেজেছে বিএনপির নেতাদের ব্যানার-ফেস্টুনে। এছাড়া জেলার ১৭ উপজেলায় সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী আসনের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশী ও সাবেক সংসদ সদস্যরা এলাকায় পোস্টার-ব্যানার সাঁটিয়েছেন। তারা কেউ পাঁচ হাজার, কেউ ১০ হাজার লোক জড়ো করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির নেতারা এলাকায় শোডাউন করছেন। গণসমাবেশে আসার জন্য এলাকায় সভা করছেন।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কুমিল্লা টাউন হল মাঠের সমাবেশস্থল গিয়ে জানা গেছে, বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। তাদের অনেকে দলীয় স্লোগানে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখছেন। গণসমাবেশ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেলে থেকে এরই মধ্যে ৭২ ফুট দীর্ঘ ও ৩০ ফুট প্রস্থ মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করেছে ঢাকা থেকে আসা ডেকোরেটর কর্মীরা। পুরো টাউন হল এলাকায় ছোট, মাঝারি ও বড় ব্যানারে একাকার। এরপরও মাঠের চারপাশে এখনো এখনো চলছে ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানোর কাজ।

বিএনপির মঞ্চ তৈরিতে নিয়োজিত ঢাকার নিপা ডেকোরেটরের কর্মী ওমর ফারুক বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার মধ্যে কাজ শেষ হবে। অন্তত দুই শতাধিক নেতাকর্মীর স্থান রাখার উপযোগী করে এই মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। তারা ভালোভাবেই কাজটি শেষ করবেন বলে প্রত্যাশা করছেন।

কুমিল্লা বিভাগীয় গণসমাবেশ ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এ গণসমাবেশে আসবেন। পুরো জেলায় সাজ সাজ বর অবস্থা। শান্তিপূর্ণ এ সমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটাতে চান তারা।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদরের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী আবুল খায়ের বৃহস্পতিবার সকালে কুমিল্লায় এসেছেন। তিনি বলেন, পরে আসতে সমস্যা হতে পারে। এজন্য তারা ১৭ জন আগেই চলে এসেছেন। দলের নেতারা থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। তারা সমাবেশকে সফল করতে প্রস্তুত।

কুমিল্লার লাকসামের বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম খোকন বলেন, আমাদের প্রায় ৬০০ নেতাকর্মী এরই মধ্যে কুমিল্লায় এসে অবস্থান নিয়েছে। কেউ স্বজনদের বাসায়, আবার কেউ আবাসিক হোটেলে আছে। শুক্রবারের মধ্যে আরো হাজার খানেক লোক আসবে। আর অন্যরা শনিবার এসে যোগ দেবে।

জেলার মনোহরগঞ্জের যুবদল নেতা আমান উল্লা আমান বলেন, আমাদের এক হাজারের বেশি নেতাকর্মী এখন কুমিল্লায় আছেন। সমাবেশের আগে আমাদের ছয় হাজার নেতাকর্মী আসবে। আমাদের নেতা সকল কিছুর ব্যবস্থা করেছেন।

চাঁদপুর থেকে আসা বিএনপি নেতা ফখরুল বলেন, বাস বন্ধ করে আর লাভ হবে না। আমরা সবাই কুমিল্লায় অবস্থান নেবো। সমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে হাজার হাজার নেতাকর্মী কুমিল্লার বিভিন্ন যায়গায় অবস্থান নিয়েছেন। আমরা রাতের খাবারের জন্য কিছুক্ষণ পরই যাবো। আমাদের আতঙ্ক ছিল বাস বন্ধের। এখন আমরা কুমিল্লায় পৌঁছে গেছি, আর সমস্যা নেই। কাল ট্রেন ও বাসে কুমিল্লায় আসবেন আরো নেতাকর্মী।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, কুমিল্লা উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর এবং চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে পাঁচটি ইউনিট নিয়ে বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কুমিল্লার পাশাপাশি চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নেতৃবৃন্দ আগে থেকেই তাদের ‘প্লেস’ নির্ধারণ করে রেখেছেন। সুতরাং কেউ আগে চলে আসলেও তাদের থাকা-খাওয়া নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। এছাড়া কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকেও ২০ হাজার মানুষের খাওয়া ও নাস্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস-আগ্রহ দেখে এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, কুমিল্লার গণসমাবেশ সফল ও সার্থক হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *