ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ
খুলনার দাকোপে কৈলাশগঞ্জে ঊষা রায় স্বামী মৃত বিরেন রায় একজন দূর্ধর্ষ উৎশৃংখল প্রকৃতির মহিলা।সে কাউকে তোয়াক্কাই করে না। থানায় জিডি মারফত জানা যায়,গত ইং ২১/১১/২০২৪ তারিখ ৪ নং কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করে প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে পরিষদের সকল মেম্বর ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে পরিষদ কর্তৃক নির্ধারিত আমীন গৌরাঙ্গ মন্ডলকে দিয়ে উভয় পক্ষের সীমানা নির্ধারণ করা হয়। সহযোগী আমীন ছিল সুভাষ বৈষ্ণব। এই দুই আমীনের নির্ধারণে সীমানা পিলার পোতা হয়। পরিষদের এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ২২/০১/২০২৬ তারিখ ঊষা রায় লোকজন নিয়ে নিজ বাড়ির দক্ষিণ সীমানায় লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে থেকে সাংবাদিক তাপস মহালদার এর সীমানার ভিতর দিয়ে ঘেরা দিয়ে নিচ্ছে। পেশাগত কাজে ঐ দিন তাপস মহালদার বাড়ির বাইরে ছিল । বিকাল চারটায় বাড়ি ফিরে এসে বেশি করে ঘেরা দেওয়ার কারন জানতে চাইলে ঊষা রায় তার লোকজনদের বলে তোরা তোদের মত ঘেরা দে।তখন ঊষা রায় সাংবাদিককে বলে, সাংবাদিকতা ঘুচিয়ে দেবো। বাইরে যাস না, লোকজন দিয়ে মেরে লাশ বানিয়ে দেবো বলে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। বিষয়টি জানতে ঊষা রায়ের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করতে চেয়েও সংযোগ পাওয়া সম্ভব হয়নি। মুঠোফোনে তাপস মহালদার বলেন, ” আমি আইনকে শ্রদ্ধা করি। এ মহিলা আগে এমন ছিল না। ৫ আগস্ট এর পরে এমন দূর্ধর্ষ হয়েছে। বর্তমানে তার কিছু অসুভশক্তির লোকজন আছে বলে আচরনে মনে হয়। ঊষার মত অসভ্য ও উৎশৃংখল প্রকৃতির মহিলা চোখে পড়ে না। চোখে মুখে মিথ্যা কথা বলে ” । সচেতন মহল বলেন, ” ঊষা রায়ের এই বেপরোয়ার মূলে তার এক মেয়ে জামাই। তবে এমন অসামাজিক কার্যকলাপ সভ্য সমাজ মেনে নেবে না। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক” ।
Leave a Reply