বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধিঃ
ভোলার বোরহানউদ্দিনে মসজিদে ইমামের পিছনে বসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ এতে আহত হয়ে ৪ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এছাড়া মাদ্রাসার সাইনবোর্ড ভাংচুরের অভিযোগ ওঠে কাচিয়া ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নোমানের বিরুদ্ধে।
আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় প্রত্যেক মুসলিমদের জন্য নামাজ ফরজ করা হয়েছে, সেই নামাজে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ধনী, গরীব, রাজা, প্রজা,তাতী, জেলে সকলেই এক কাতারে দাড়িয়ে মাথা নত করে আল্লাহর দরবারে।
তবে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়াতে ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা।
মসজিদে ইমামের নির্ধারিত পিছেই থাকতে হবে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাবার স্থান, তিনি মসজিদেরও সভাপতি।
এ নিয়ে ঘটে এক আজগুবি কান্ড,
উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের রুস্তম আলী হাজী জামে মসজিদের ভিতরে ইমামের পিছে নির্ধারিত স্থান থেকে হঠাৎ উধাও নামাজের জায়নামাজ, এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে যুবলীগ নেতা বাজে ইমামের বড় ভাই জুবায়েরকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে, তখনই বাজে বিপত্তি বাগবিতণ্ডার এক পর্যায় দু গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বাজে মারামারি আহত হয়ে, মাও মোঃ আইয়ুব আলী (৬০),মোঃ ফরিদ চাপরাসি(৪৫), মোঃ হিরন(২৫), মোঃ জাকির চাপরাসি(৫০) হাসপাতালে ভর্তি। পরে মুসল্লীদের একাংশ নামাজ না পড়ে বাড়িতে চলে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে জানা যায় ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি নোমান মেম্বারের বাবা আঃ হাশেমের মসজিদে নির্ধারিত ইমামের পিছে জায়গা থাকে জায়নামাজ বিছানো।
হঠাৎ একদিন মসজিদে নির্ধারিত স্থানে নামাজের জায়নামাজা না পেয়ে ঔ মসজিদের ইমামের বড় ভাই জোয়ারেরকে দায় করে বাজে মন্তব্য করে।
ঘটনার দুই দিন পরও যখন চুরির মত অপরাধের দায় দেয়, তখন জুমার নামাজের পূর্বে ইমাম থেকে সময় নিয়ে ঔ জোবায়ের বলেন, আমি যদি জায়নামাজ নিয়ে থাকি তাহলে আল্লাহর গজব আমার উপর পড়বে, আর যদি না নিয়ে থাকি তাহলে শুধু শুধু যারা আমাকে অপবাদ দিয়েছে তাদের উপর আল্লাহর গজব পড়ুক।
এতেই বাজে বিপত্তি, মসজিদের পিছন থেকে নোমান মেম্বার লাফিয়ে এসে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বললে, মসজিদের ভিতরেই বাজে মারামারি।
এ বিষয়ে জোবায়ের অভিযোগ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কাচিয়া ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইউনিয়ন উওর এর যুবলীগের সভাপতি নোমান মেম্বার কিছু অভিযোগ আনলে আমি মসজিদে অনুমতি নিয়ে কথা বলি।
কথার মধ্যে নোমান মেম্বার পিছন থেকে সামনে চলে আসে এবং অকর্তা কথা বলে।এতে মসজিদের মুসল্লিরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে হাতাহাতি করে ৪ জন আহত হয়। আমরা নামাজ না পড়েই বাড়িতে চলে আসি বাড়িতে এসে নামাজ আদায় করতেছি এমত অবস্থায় নোমান মেম্বার রাস্তা থেকে বিভিন্ন অকর্থ ভাষায় আমাদেরকে গালিগালাজ করে এবং আমাদের মাদ্রাসার সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলে আমরা তার বিচার চাই।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ও কাচিয়া ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ নোমান বলেন, মসজিদের মেশিন ব্যাবহার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে এবং হাতাহাতি হয়েছে। তাদের মাদ্রাসার সাইনবোর্ড কে ভাংচুর করছে আমি জানি না।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
Leave a Reply