July 26, 2026

খুলনার দাকোপে এলডিডিপি প্রকল্পে চাষীরা সফল।

0
IMG-20250307-WA0000

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ ( তাপস মহালদার )
খুলনা জেলায় দাকোপ উপজেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তর চাষীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। এ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডাঃ বঙ্কিম কুমার হালদার সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে সকল সহযোগিদের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে চলেছে। তার মধ্যে এলডিডিপি উল্লেখযোগ্য। এই প্রকল্পটি সার্বিক ভাবে তদারকি করেন শামীমা আরা হক।এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি বলেন,” এ উপজেলায় এলডিডিপি প্রকল্পের আওতায় সাতটি সমিতি আছে। প্রত্যেক সমিতির সদস্য সংখ্যা চল্লিশ জন। সমিতিগুলো লক্ষিখোলা ডেইরি পিজি, সাহেবের আবাদ ডেইরি পিজি,বাজুয়া ডেইরি পিজি,লাউডোব ডেইরি পিজি, কৈলাশগঞ্জ ডেইরি পিজি,তিলডাঙ্গা হাঁসের পিজি,সুতারখালী পূর্বপাড়া স্ক্যাভিংজিং পোল্ট্রি পিজি। প্রত্যেক সমিতির কমিটি দুই বছরের জন্য গঠন করা হয়। সমিতির সদস্যগন সমিতির নামে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ডেইরি পিজি বাবদ ১০০/- টাকা এবং হাঁসের পিজি বাবদ ১৫০/- টাকা করে সঞ্চয় জমা করে। সদস্যবৃন্দকে প্রতি মাসে ট্রেনিং করানো হয়। ফার্মে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়” । লাউডোব ডেইরি পিজি এর সভাপতি জগোদিশ রায় মুঠোফোনে বলেন,” গত বছর দাকোপে বহু গরু পক্স- এ মারা গেছে। পক্ষের ভ্যাকসিনের প্রচুর চাহিদা। আপনাদের লেখনির মাধ্যমে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি গোচর করাতে চাই” । তিলডাঙ্গা হাঁসের পিজি এর সভানেত্রীর নিকট ফোন করলে উনার স্বামী সুরঞ্জন গাইন বলেন,” আমার হাঁস আছে ২০/২৫টি । সমিতির সদস্য সংখ্যা ২৫ জন। প্রিয়াঙ্কা গাইনের কথা জানতে চাইলে বলেন,উনি এখন কাছে নেই” । সচেতন মহল বলেন,” ভাই এখন কৃষক যে হারে তরমুজ চাষ করছে তাতে এক শতাংশ জায়গা ও খালি নেই।এতে গবাদিপশু চরানোর কোন ব্যবস্থা নেই।শুকনা নাড়া খেয়ে গরু কোন মতে বেঁচে আছে। এভাবে চলতে থাকলে গোসম্পদ হুমকির মুখে পড়ে ধ্বংস হবে। তাই নির্ধারিত হারে চাষের জমি রেখে চাষাবাদের আইন করার সুপারিশ করি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট।তাতে গোসম্পদ বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষক তথা দেশের অর্থনীতি ত্বরান্বিত হবে” ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed