ত্রিমোহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণ উৎসব অনুষ্ঠিত।
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
খুলনার দাকোপে ত্রিমোহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয় একটি সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত।প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সুনামের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে এই প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন মোঃ কবির হোসেন। তিনি প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন কালে ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকবৃন্দের মনে স্থান করে নিয়েছেন।২০২৫ সালের প্রথম দিনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি বলেন,” আমার সকল শিক্ষক শিক্ষিকা দায়িত্বের সাথে সরকারি নিয়মনীতি মেনে ছাত্র ছাত্রীদের পাঠ দান করে যাচ্ছেন। এ বছর বার্ষিক পরীক্ষার রেজাল্ট শতভাগ।৬ষ্ঠ শ্রেনিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে শ্রেয়সী রায় ৮৫৩ নম্বর পেয়ে। ২য় স্থান অধিকার করেছে প্রান্ত মন্ডল ৭৮৯ নম্বর পেয়ে।মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩৩ জন। ৭ম শ্রেনিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে অনিন্দিতা মন্ডল ৮৭৯ নম্বর পেয়ে।২য় স্থান অধিকার করেছে সংযুক্ত রায় ৮৪০ নম্বর পেয়ে।৩য় স্থান অধিকার করেছে ঐশ্বরিয়া মুখার্জি ৮৩৬ নম্বর পেয়ে। মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩৩ জন।৮ম শ্রেনিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে লিথি গাইন ৮৯৬ নম্বর পেয়ে।২য় স্থান অধিকার করেছে রুপন্তী রায় ৮৮৪ নম্বর পেয়ে।৩য় স্থান অধিকার করেছে মহুয়া থানদার ৮৫৯ নম্বর পেয়ে। মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩৮ জন।৯ম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেছে শ্রেয়সী মন্ডল ৯১১ নম্বর পেয়ে।২য় স্থান অধিকার করেছে অরিত্র বিশ্বাস ৯০৫ নম্বর পেয়ে।৩য় স্থান অধিকার করেছে সুদিপ্তা মন্ডল ৮৪২ নম্বর পেয়ে। মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৩৭ জন” । অভিভাবক মন্ডলীর মধ্যে কেউ কেউ এই রেজাল্ট মনে প্রাণে মেনে নিতে পারেনি। তাদের অভিযোগ কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকা স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে রেজাল্ট তৈরি করেছেন।কারন অভিভাবকদের কাছে ওয়াদা করে ছাত্রছাত্রী স্কুলে এনেছিল তাই। স্কুলের সকল শ্রেনির ভিতর সবচেয়ে বেশি ৯১১ নম্বর পেয়ে স্কুল ফাস্ট হয়েছে শ্রেয়সী মন্ডল। এর স্কুল ফাস্ট কেউই নিতে পারে না। সচেতন মহল বলেন, ” এখানে সবসময় ভালো রেজাল্ট করেও কলেজে ভালো করতে পারেনি এমনও প্রমাণ আছে।তবে শিক্ষকদের এমন আচরণ সভ্যসমাজ মনে প্রাণে ঘৃণা করে” ।