August 1, 2026

আমন ধানের বাম্পার ফলন,কৃষককূল অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে হাবুডুবু !

0
f71508ee-f5ac-45b4-855c-a984cc4a29a9

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ( তাপস মহালদার) দাকোপ উপজেলা একটি কৃষিপ্রধান উপজেলা। এখানে প্রায় ৮০% লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল। এখন খুলনা জেলার দাকোপ তরমুজ চাষে সুনাম অর্জন করে নিয়েছে। এবার আমন ধানেও বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষকরা। পোকার চাপ কম,সার বিষের সঠিক ব্যবহার সর্বোপরি কৃষি কর্মকর্তাদের তৎপরতা আমন ধানের এই বাম্পার ফলনে সহায়তা করেছে।এ মৌসুমে ধান বিক্রি করে গরীব কৃষক ঋণ দেনা পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঠিক সেই সময়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধানের দাম কম রাখতে বিভিন্ন পলিচী তৈরি করছে। যেমন মিল মালিকগন টাকা দিচ্ছে না, ব্যাংক ক্লোজিং, দেশের অস্থির অবস্থা ইত্যাদি ইত্যাদি। বাজুয়া বাজার এলাকার বড় ধানের বাজার। তাছাড়া কালীনগর,চালনাসহ বিভিন্ন স্থানে ধান ক্রয় বিক্রয় হয়। এখানে ব্যবসায়ীরা বাহিরের মিল মালিকরা ধান কিনতে এলে, তাদের নিয়ে বসে ধানের দর দাম ঠিক করে নেয়। মিল মালিকদের সরাসরি ধান কিনতে দেয় না। তখন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কেনে। সে কারনে কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হয়। পক্ষান্তরে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। কৃষকরা এই সিন্ডিকেটের দাপটে মুখ খুলতে চায় না। এহেন পরিস্থিতিতে দাকোপের কৃষককূল কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে বাজার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ধানের ন্যায্য মূল্য পেতে চায়। এবিষয়ে কৃষি কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন দাকোপের গরীব কৃষককূল। ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ( তাপস মহালদার) দাকোপ উপজেলা একটি কৃষিপ্রধান উপজেলা। এখানে প্রায় ৮০% লোক কৃষির উপর নির্ভরশীল। এখন খুলনা জেলার দাকোপ তরমুজ চাষে সুনাম অর্জন করে নিয়েছে। এবার আমন ধানেও বাম্পার ফলন পেয়েছে কৃষকরা। পোকার চাপ কম,সার বিষের সঠিক ব্যবহার সর্বোপরি কৃষি কর্মকর্তাদের তৎপরতা আমন ধানের এই বাম্পার ফলনে সহায়তা করেছে।এ মৌসুমে ধান বিক্রি করে গরীব কৃষক ঋণ দেনা পরিশোধে মরিয়া হয়ে উঠেছে। ঠিক সেই সময়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধানের দাম কম রাখতে বিভিন্ন পলিচী তৈরি করছে। যেমন মিল মালিকগন টাকা দিচ্ছে না, ব্যাংক ক্লোজিং, দেশের অস্থির অবস্থা ইত্যাদি ইত্যাদি। বাজুয়া বাজার এলাকার বড় ধানের বাজার। তাছাড়া কালীনগর,চালনাসহ বিভিন্ন স্থানে ধান ক্রয় বিক্রয় হয়। এখানে ব্যবসায়ীরা বাহিরের মিল মালিকরা ধান কিনতে এলে, তাদের নিয়ে বসে ধানের দর দাম ঠিক করে নেয়। মিল মালিকদের সরাসরি ধান কিনতে দেয় না। তখন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কম দামে ধান কেনে। সে কারনে কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হয়। পক্ষান্তরে ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়। কৃষকরা এই সিন্ডিকেটের দাপটে মুখ খুলতে চায় না। এহেন পরিস্থিতিতে দাকোপের কৃষককূল কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে বাজার সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ধানের ন্যায্য মূল্য পেতে চায়। এবিষয়ে কৃষি কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন দাকোপের গরীব কৃষককূল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed