August 2, 2026

বাবা হয়ে ছেলের কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না

0
0ca9d0f4-47f5-4ab8-92ef-6a44f9d6d11c

নিবিড় চৌধুরী বিশেষ প্রতিনিধিঃ

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন হয় ৫ ই আগস্ট, ৩৬ দিনের আন্দোলনে আবু সাঈদ, মুগ্ধ, সহ অনেক বাবা মায়ের বুক খালি হয়েছে, এবং এখনো অনেকে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করছে, জনতার কাতারে আন্দোলন করতে গিয়ে ৫ই আগষ্ট মিরপুর ১০নাম্বার আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকায় স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ ও পুলিশলীগ বাহিনীর গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন মিরপুরের কল্যাণপুর অধীনস্থ বাসিন্দা মোঃ শাকিল(২৬) গুলিটা তার বাম চোখের এবং নাকের উপর দিয়ে যায়। যার কারনে শাকিল বাম চোখে দেখতে পাচ্ছে না। শাকিলের বাবা মোঃ বাবুল হোসেন(৪৫) বলেন আমরা নিম্নবিত্ত একটা পরিবার, দৈনিকের আয় দৈনিক করতে হয়, একদিন যদি আয় করতে না পারি পরেরদিন না খেয়ে থাকতে হয়। এই অবস্থা আমার ছেলের এতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা করাবো কিভাবে, দৈনিক তার পিছনে হাজার টাকার উপর ঔষধ লাগে।আমি হাপিয়ে যাচ্ছি,ডাক্তার বলেছে আমার ছেলের উন্নত চিকিৎসা প্রোয়জন,আমি কারো কাছে আশানুরূপ সহযোগিতা পাচ্ছি না, আমার ছেলে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে সেটা কি অপরাধ ছিল? ছেলে মারা গেলেও এত কষ্ট লাগতো না,প্রতি রাতে ব্যাথার যন্ত্রণায় আমার ছেলে ঘুমাতে পারে না,বাবা হয়ে ছেলের কষ্ট আর সহ্য করতে পারছি না। বাবুল হোসেন কে বিএনপির দলীয় কিছু নেতা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ছাত্রদের সহযোগিতায় ছেলের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে।উন্নত চিকিৎসার জন্য মোঃ শাকিলকে দেশের বাহিরে নিয়ে যেতে বলেছে। বাবুল হোসেন ছেলের এই আহত হওয়ার কারনে মিরপুর মডেল থানায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ও ওই সময় মিরপুর ১০ নাম্বার ছাত্র আন্দোলনকে যারা বাধা দিয়েছিলেন তাদের নামে বাদী হয়ে একটা মামলা দায়ের করেন। বাবুল হোসেন তার ছেলে এবং যারা এই ছাত্র আন্দোলনে আহত এবং নিহত হয়েছেন, তাদের পক্ষ হয়ে খুনিদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed