পরীক্ষা ছাড়াই সার্টিফিকেট প্রদান,এটা কি দূর্নীতি নয়?
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ঃ
খুলনার দাকোপে রনজিত মন্ডল নামে একজন শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধী স্কুলের চাকরিতে বিল করানোর উপাদান হিসেবে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট বি,এস,এড দেওয়ার নামে জন প্রতি এক লাখ টাকা নিয়ে ট্রেনিংসহ পরীক্ষা শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করবে মর্মে অঙ্গীকার করেন। পরবর্তীতে অঙ্গীকার ভঙ্গ করে সার্টিফিকেট দিচ্ছে না ও টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা করছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে ভূক্তভোগি চন্দ্রিকা মিস্ত্রী বলেন, ” আমাকে ট্রেনিং দেওয়ার নামে একটি অ্যাপস দিয়েছিল। প্রথম দিন তাতে ঢুকে কিছু বুঝতে পারিনি। তারপর আর কোন দিন ঢুকতে পারিনি। পরবর্তীতে সহযোগী অমল মন্ডল বললো ক্লাস না করে, পরীক্ষা ছাড়াই সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। এতে আরও বারো হাজার টাকা লাগবে বলে বারো হাজার টাকা নিলো।এই কোর্স শেষে এখনো কোনো সার্টিফিকেট দেয়নি। আমি অমল মন্ডলকে ফোন করলে ফোন ধরে না। মাঝে মধ্যে ধরলেও বলে আমি কিছু জানি না। রনজিত দাদাকে ফোন করো। তখন আমি বলি টাকা দিছি আপনাকে তাকে বলবো কেন? ট্রেনিং করাইনি পরীক্ষা ও দেইনি।
সহযোগী অমল মন্ডল এক সাক্ষাৎকারে বলেন,” আমি ও একজন পরীক্ষার্থী তারা যেটা বলছে তা মিথ্যা। প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বলেন, প্রফেশনাল ইউনিভার্সিটির আন্ডারে চারুকলা ডিপ্লোমা ট্রেনিং ইনস্টিটিউট,কাটনার পাড়া, বগুড়া। পরিচালক সোহেল মন্ডল” । লাবনী মন্ডল জানান,অমল কৃষ্ণ মন্ডল,জন্মেনজর রায়, নিত্যানন্দ গাইন, নবদ্বীপ রায়, নিউটন সরদার ও চন্দ্রিকা মিস্ত্রী পরীক্ষা দেয়নি। আমি একটা পরীক্ষা দিয়েছি মাত্র এখনো সার্টিফিকেট পাইনি। বগুড়ায় গিয়ে একটা স্কুলে পরীক্ষা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর অফিস দেখিনি। শিক্ষক বিচিত্র রায় বলেন, ” পরীক্ষা কেন্দ্র যখন বিভিন্ন স্থানে দেখাতে লাগল তখনই আমার সন্দেহ হলো। প্রথমে বলেছিল খুলনায় পরীক্ষা হবে। তাদের কথার সাথে কাজের মিল পাইনি। আবার বললো আমাদের লোক আছে তারা পরীক্ষা দিয়ে দেবে তখনই পুরাপুরি সন্দেহ হলো ” । সচেতন মহল বলেন, ” ট্রেনিং ও পরীক্ষা বাদে যারা সার্টিফিকেট দেয় তারা দূর্নীতিবাজ। যারা প্রতিষ্ঠানের কেউ নন,তারা সার্টিফিকেট দেবে ক্যামনে? এদের মুখোশ খুলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান ” ।( পর্ব এক)