১০ নং গড়ূইখালী ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ত্রাণের চাউল আত্মসাতের অভিযোগ।
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ খুলনার পাইকগাছায় ১০ নং গড়ূইখালী ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস সালাম ( কেরু ) এর বিরুদ্ধে রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝে বিতরণকৃত ত্রাণের চাউল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পরিষদের বেশিরভাগ সদস্যরা ২০/০৬/২০২৪ তারিখ ইউ,এন, ও ,পাইকগাছা বরাবর দরখাস্ত করেন। দরখাস্তে উল্লেখ পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১২ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ হয় ঘূর্ণিঝড় রেমাল বাবদ।যাহা ০৩/০৬/২৪ তারিখে দুটি ডিওতে ২ মেট্রিক টন ও ৫ মেট্রিক টন মোট ৭ মেট্রিক টন এবং ১৩/০৬/২০২৪ তারিখ ৫ মেট্রিক টন জি আর এর ঢাউল উত্তোলন করেন চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম। উত্তোলনকৃত জি আর এর ১২ মেট্রিক টন চাউলের ৫ মেট্রিক টন বিতরণ করেন বাকী ৭ মেট্রিক টনের হদিস মিলছে না।এ নিয়ে এলাকায় গুঞ্জন উঠলে চেয়ারম্যান ২০/০৬/২৪ তারিখ কাবিখা এর ৪.৫ মেট্রিক টন চাউল তুলে পরিষদের গোডাউনে মজুদ রাখেন।এ বিষয়ে ৪ সদস্যের একটি চৌকস ক্রাইম টীম সরেজমিনে পাইকগাছা খাদ্যগুদামে উপস্থিত হলে,গুদাম ইনচার্জ শেখ হাবিবুর রহমান অসুস্থতায় হাসপাতালে থাকার কারণে সহকারী মাহবুবুর রহমান খাতা দেখে চাউল তোলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। টীমটি গড়ুইখালী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে চেয়ারম্যান এর ব্যবহৃত ০১৭৪০৯৩৬৩৬৫ নম্বরে ফোন করলে উনি বলেন, ” আমি এখন পাইকগাছায়। আপনারা বসেন আমি আসিতেছি” । প্রায় এক ঘন্টা বসার পর আবার ও ফোন করলে বন্ধ পাওয়া যায়। এর অর্থ আমাদের সাথে স্বাক্ষাৎ করলে সত্যতা প্রমাণ হয়ে যাবে তাই ফোন বন্ধ করে দেখা করেন নাই।ইউ, এন, ও, পাইকগাছা মাহেরা নাজনীন মুঠোফোনে বলেন,” অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত চলছে ” । নাম প্রকাশ না করার শর্তে কিছু ভুক্তভোগী বলেন, ” চেয়ারম্যান স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কিছু কিছু মানুষকে ত্রাণ দেয়। কাউকে তোয়াক্কা করে না। মেম্বর নাসিমা আক্তার, মেম্বর গাউসুল করিম ও পরিষদের হিসাব সহকারী তৈয়বুর রহমান চেয়ারম্যানের পক্ষে।আমরা ত্রাণের এই চাল চুরির দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।