1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

দৌলতপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফিজিওথেরাপিস্ট হয়ে দেখছে রোগী লিখছে প্রেসক্রিপশন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৭২ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন

 

মোঃ রেজাউল করিম লিটন স্টাফ রিপোর্টারঃ

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ফিজিওথেরাপিস্টের বিরুদ্ধে নিয়মিত জেনারেল রোগী দেখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই ফিজিও থেরাপিস্টের নাম মোঃ আঃ মজিদ ওরফে ডাক্তার জাহাঙ্গীর ওরফে ডাঃ জাকারিয়া।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবত প্রতিদিন তিনি ডাক্তারের ন্যায় নিয়মিত রোগী দেখে আসছেন।

তিনি যে প্রেসক্রিপশন করছেন তা সম্পূর্ণ অস্পষ্ট, তার লেখা প্রেসক্রিপশন ঔষুধ ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ একদমই বোঝার অযোগ্য । বেশির ভাগ রোগী ভুল ঔষুধ নিয়ে বাড়িতে যাচ্ছেন। তার প্রেসক্রিপশনে থাকে না ঔষুধ খাওয়ার নিয়ম ও নীতি। মুলত তার কাজ গবেষণাধর্মী ও স্বতন্ত্র চিকিৎসা পদ্ধতি। ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে সব ধরনের শারীরিক সমস্যায় চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তিনি। এবং তিনি হাসপাতালে আউটডোরে বিভিন্ন কক্ষে বসে ভুলভাল চিকিৎসা দিয়ে আসছেন এতদিন যাবত। এতে সাধারণ মানুষকে বিপদে পড়তে হচ্ছে। কেউ আবার ঔষধ খায় না কেউ আবার অন‍্য ডাক্তারের সহযোগিতা নেয়। অনেকেই আবার ভুল ঔষধ খেয়ে আরো বিভিন্ন রোগে জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে। তাকে বার বার শতর্ক করা হলেও তিনি শুনছেন না ।

এবিষয়ে ভুক্তভোগী রোগী রুপা বেগম বলেন কোন কিছু জিজ্ঞেস না করেই রোগী দেখেই প্রেসক্রিপশন শুরু করে দেন। কিন্তু সে যে প্রেসক্রিপশন করে সে ওষুধ কিনতে দোকানে গেলে ওষুধ ব্যবসায়ী তার প্রেসক্রিপশন পড়তে সমস্যার মধ্যে পড়ে ।

সে বিষয়ে অন্য এক রোগী দিপালী চক্রবর্তী বলেন আমি বহুদিন যাবত হসপিটাল থেকে প্রেসক্রিপশন করিয়ে ওষুধ খাই। কিন্তু এই মজিদ ডাক্তার যে প্রেসক্রিপশন করে সে ঔষধ খাওয়া খুব কষ্টকর হয়ে পরে। যার ফলে আমার মত বহু রোগীকে বিরম্বনায় পড়তে হয়। অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবী জানাই।
সোমবার ৭ জুলাই ১২ টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় তিনি অনুপস্থিত। পরিসংখ্যানবিদ মোঃ আসাদের সাথে কথা বললে তিনি জানান তিনি ছুটিতে আছেন। ছুটির দরখাস্ত দেখাতে বললে তিনি বলেন, দরখাস্ত এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছেনি। তবে আমার মনে হয় তিনি ছুটির দরখাস্ত দিয়ে গেছেন। পরে আবার বিকাল ৪টার দিকে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় ফিজিওথেরাপিস্ট মজিদ হাসপাতালের ভিতর এলোপাতাড়ি ঘোরাফেরা করছেন। তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি দ্রুত হাসপাতালের প্রভাবশালী কম্পিউটার অপারেটর আসাদের রুমে অবস্থান নেন।

এবিষয়ে ফিজিওথেরাপি মোঃ আঃ মজিদ ওরফে ডাক্তার জাহাঙ্গীরকে প্রশ্ন করা হয় আপনি দীর্ঘ পাঁচ বছর যাবত কিভাবে হাসপাতালে রোগী দেখেন আপনার পরিচয় কি আপনি কি ডাক্তার? জবাবে তিনি কোন উওর দিতে পারেননি। ছুটি সম্পর্কে তার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি লিখিত কোন ছুটি নেইনি। তবে আরএমও স্যারের সাথে ফোনে কথা বলে মৌখিকভাবে ছুটি নিয়েছি।

এবিষয় হাসপাতালের প:প:কর্মকর্তা ডা: শাহ আলম সিদ্দিকী ফোনে বলেন- তিনি ফিজিওথেরাপিস্ট কোন ডাক্তার নয়। আমি যোগদানের পর তাকে রোগী দেখতে মানা করা হয়েছে। তার পরও যদি সে রোগী দেখে থাকে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব‍্যাবস্থা করা হবে।

মানিকগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী বলেন, একজন ফিজিওথেরাপিস্টে কখনোই জেনারেল রোগী দেখতে পারেন না বিষয়টা আমরা দেখব।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121