August 4, 2026

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের শাহানা নার্সারী এন্ড বিনোদন পার্কে ভাঙচুর ও হামলা

0
received_231171272921248

 

মোঃ রেজাউল করিম লিটন, স্টাফ রিপোর্টারঃ

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর সদর চকমিরপুর ইউনিয়নের মূলকান্দি গ্রামে টাঙ্গাইল আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে শাহানা নার্সারী এন্ড বিনোদন পার্কে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এতে প্রায় তিন থেকে চার লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আজ ২৮ এপ্রিল শুক্রবার বিকালে এ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় নার্সারীর ভিতরে শত শত গাছপালা,ও বিভিন্ন জাতের চারা গাছ ভাঙচুর করা হয়েছে এবং পার্কের ভিতরে বিভিন্ন আসবাপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। এসময় নার্সারি মালিক মোঃ কামরুল হাসান ও তার পরিবারের লোকজন সন্ত্রাসীদের দ্বারা মারধরের শিকার হয়েছে।

মারধরের শিকার কামরুল হাসান ও এলাকাবাসী জানান, ঘিওর উপজেলার ময়না খাতুন, স্বামী আরিফ, মেয়ে আরিফা এবং আরিফের ভাই মুড়ি আওলাদ আমাদের উপর পুরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। হামলায় আমি সহ আমার স্ত্রী মারাত্মকভাবে আহত হয়েছি। তিনি আরো বলেন হামলাকারী এখানে আমার কাছে পাওনা টাকা দাবি করে কিন্তু আমি তাদের দাবি অনুযায়ী অনেক আগেই ঢাকায় আমার একটি দোকান ঘর মালপত্র সহ তাদের দিয়েছি। তারপরও তারা আমার নামে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে মামলাটি এখনও চলমান আছে। কিন্তু হঠাৎ এসে তারা আমার নার্সারি ও পার্কে শত শত গাছপালা ভেঙ্গে ফেলল এবং দামি দামি আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং অনেক গাছপালা তারা এখান থেকে নিয়েও গেছে। হামলা চালিয়ে যাওয়ার পথে হুমকি দিয়ে বললেন এ ব্যাপারে আমি যদি মামলা করি তাহলে আমাকে দেখে নেওয়া হবে।

নার্সারি মালিক কে ক্ষতির পরিমান জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন-আমার এখানে তিন থেকে চার লক্ষ টাকার গাছপালাও আসবাবপত্র নষ্ট করেছে এবং ঈদ উপলক্ষে আমি যে বিক্রি করেছিলাম সেখান থেকে প্রায় চায় লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি এখন পুরোপুরি নিঃস্ব হয়ে গেলাম প্রশাসনের কাছে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

নার্সারিতে হামলা চালানোর কথা স্বীকার করে ময়না খাতুন জানান, আমি আরিফের কাছে এক লক্ষ টাকা পাওনা আছি এবং এছাড়াও প্রায় অন্য বাবদ প্রায় ১২ লক্ষ টাকা তার কাছে আমি পাবো।

ঘটনার ব্যাপারে দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম মোল্লা জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করলে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *