ব্র্যাকের সুনাম নষ্ট করছে দাকোপের বাজুয়া শাখার কর্মী পবিত্র মন্ডল
বিশেষ প্রতিনিধিঃ খুলনার দাকোপে ব্র্যাক সুন্দরভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি বাজুয়া শাখার কর্মী পবিত্র মন্ডলের বিরুদ্ধে ঋণ দেওয়ার নামে অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকায় অনুসন্ধানকালে জানা যায়, কর্মী পবিত্র মন্ডল এককালীন দুই লাখ টাকা ঋণ দেবে।শর্ত থাকে যে তাকে অতিরিক্ত দশ হাজার টাকা উৎকোচ দিতে হবে।যে দিতে পারিনি তাকে ঋণ দেয়নি। ফলে বহু তরমুজ চাষী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার ফসলের ক্ষতি হয়েছে ঋণ না দেওয়ার কারণে। এ প্রসঙ্গে ভোজনখালীর বিশ্বজিৎ রায় বলেন,” আমি ও ঋণের জন্য ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হয়ে অফিসে গিয়েছিলাম। টাকা চাইলে বলেছিলাম ঋণের থেকে কেটে নিবেন। তখন পবিত্র মন্ডল পুষ্পেনকে বলেন, ” বাল ছাল লোক নিয়ে অফিসে আস কেন ? পাস বই ছুঁড়ে দিয়ে বলে বেরিয়ে যাও” । নিশিত রায় বলেন, ” আমাকে নতুন করে বই করিয়ে নিয়েও পরে ঋণ দেয়নি কি যেন এক কারনে। কর্মীর আচরণ ভাল না। এতে ব্র্যাকের সুনাম নষ্ট হচ্ছে ” । সেলিমা বেগম বলেন,এ কর্মী অস্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে সদস্যদের। দূর্ব্যবহার করে সকলের সাথে,ঋণ দেওয়ার নাম করে ঋণ দিচ্ছে না। মানুষকে হয়রানি করছে। এতে প্রতিষ্ঠানের বদনাম ও হচ্ছে ” ।
পুষ্পেন রায় বলেন, ” আমার সাথে দূর্ব্যবহার তো আছেই।তারপর বিভিন্ন নম্বর দিয়ে আমাকে জীবন নাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বলছে পবিত্র এর নামে কিছু বলবি না। সে যা ইচ্ছে তাই করবে। তখন আমি নিরুপায় হয়ে দাকোপ থানায় একটি ডায়েরী করি। যার নম্বর ৯৪০ তারিখ ২৩/০৩/২৩ । মুঠোফোনে এরিয়া ম্যানেজার আব্দুর সবুর বলেন, ” পবিত্র এর কোন দোষ দেখতে পাচ্ছি না। ২৭/০৩/২৩ তারিখ ১ মিনিট ২২ সেকেন্ড কথা হয় ০১৭০৮১১৩৫৬৭ নম্বরে। বাজুয়া ম্যানেজার আসমত আলী বলেন, ” এমন আচরণ করা পবিত্র বাবুর ঠিক হয়নি।আর ঋণের বিষয়ে আমি জানি না।এরিয়া ম্যানেজার এর সাথে কথা বলেন” । সচেতন মহল বলেন, ” ব্র্যাকের কিছু কর্মীর কারনে সংস্থার বদনাম,আর কৃষক ঋণগ্রস্ত হচ্ছে।আমরা অনতিবিলম্বে এমন দূর্নীতিবাজ কর্মীদের অপসারণ করে ব্র্যাকের কর্মকাণ্ড সঠিক দেখতে চাই।