বিজ্ঞ আদালত বিচার করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দিলেন সাংবাদিক তাপস মহালদারকে
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
খুলনার দাকোপে ২০১৫ সালে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে দাস বিভূতি রঞ্জন কর্মরত ছিলেন। তখন তিনি অফিস ফাঁকি দিয়ে নিজের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন মর্মে অভিযোগ উঠলে ২২ অক্টোবর ২০১৫ তারিখ অপরাধ তথ্যচিত্রে ” বিভুতি বাবু উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ( দাকোপ) কর্তব্যে ফাঁকি দিয়ে বেলা ১১টায় বাসাতে টিভি দেখছে” শিরনামে নিউজ প্রকাশিত হয়। তখন এই ধুরন্ধর বিভূতি তদন্ত ওসি শ্যামলাল ও এলাকার কিছু কূ- চক্রী মহলের যোগসাজশে দাকোপ থানায় একটি মিথ্যা মামলা করে। যার নং -১২ তারিখ ২৬/১০/২০১৫। জি,আর নং -৬৬/১৫, দায়রা নং -৩০/১৬ । শুধু মামলা করে ক্ষান্ত হয়নি দৈনিক পূর্বাঞ্চল, দৈনিক প্রবাহ ও দৈনিক অনির্বাণ পত্রিকার দাকোপ প্রতিনিধি দিয়ে বানোয়াট খবর প্রকাশ করেছে। প্রতিনিধিরা যে খবর প্রকাশ করেছে তা তথ্য সম্বলিত নয় । অর্থের বিনিময়ে একজন প্রকৃত সাংবাদিকের মানহানি ও আর্থিক ক্ষতি করছে পরিকল্পিত ভাবে। সরেজমিনে এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,” তাপস মহালদার একজন প্রকৃত বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিক। তার স্মারক নং- R-1242. সঠিক তথ্য তুলতে কাউকে ভয় পায় না সে। অপরাধ তথ্যচিত্র পত্রিকার সহকারী সম্পাদক। তাছাড়া আরও পত্রিকায় লেখালেখি করে। সত্য ঘটনা তুলে ধরে এটাই তার দোষ। “বিগত ৭ বছর মামলা পরিচালনার পর বিজ্ঞ জর্জ নির্দোষ প্রমাণ করে মামলা থেকে খালাস দেন। এতো কিছুর পর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জনতে চাইলে সাংবাদিক তাপস মহালদার বলেন, ” কুকুরের কাজ কুকুরে করেছে তবে আমি প্রাথমিক ভাবে উকিল নোটিশ করেছি। তারপর আইনগত ব্যবস্থা।”