বিএলডিপির উপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট
শরিক দল বিএলডিপির এক সভায় হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ৭ জানুয়ারি বিএলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিমের লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায় গ্রামের বাড়িতে এক মতবিনিময় সভায় শাসক দলের সন্ত্রাসীরা কাপুরোষিত হামলা চালায়। স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতা-কর্মী আহত হন। সভাস্থলে চেয়ার ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা বলেন, সরকার সারাদেশে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, দুর্বৃত্তায়ন করে নিজেরাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের যৌক্তিকতা প্রমাণ করছে। নেতৃবৃন্দ এসময় প্রশ্ন তোলেন, যে সরকার মিছিল সভা সমাবেশের মতো অতি সাধারণ কর্মকাণ্ড সহ্য করতে পারে না, সেই সরকারের অধীনে কীভাবে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া সম্ভব? তারা আরও বলেন, চলমান নিয়মতান্ত্রিক ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার ন্যায়সংগত আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য সরকারের সকল অপচেষ্টা ও অপকৌশলের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা রামগঞ্জে বিএলডিপির সভায় হামলাকারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধার প্রমাণ দেখাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
বিবৃতিদাতারা হলেন- জাতীয় পার্টি (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ এলডিপি চেয়ারম্যান আব্দুল করিম আব্বাসী, এনডিপি চেয়ারম্যান কারী মোহাম্মদ আবু তাহের, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, ইসলামী ঐক্যজোট মহাসচিব মাওলানা আব্দুল করিম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি মহাসচিব আবুল কাশেম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের কমরেড সাঈদ আহমেদ।