মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বাসার কেয়ারটেকার মো. শাহীন মোল্লা জানান, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান প্রায় তিন বছর ধরে রাজধানীর ইস্কার্টনের ৩৩১/এ নং বাসায় ভাড়া থাকেন। তার বাসায় কাজ করতো আমেনা। তারা বাইরে যাওয়ার সময় কখনও সঙ্গে নিতেন, আবার কখনও বাসায় রেখে যেতেন। সোমবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর বাসা থেকে আগে বের হন ওই কর্মকর্তার স্ত্রী ও সন্তান। পরে তিনি (কর্মকর্তা) চালককে সঙ্গে নিয়ে বের হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে আবার বাসায় ফিরে আসেন। ফ্লাটের দরজা খুলেই ড্রয়িং রুমের পাশে জানালায় গৃহকর্মীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে চিৎকার দেন তিনি। এ সময় আশপাশের সবাই জড়ো হন। অন্য ফ্লাটে থাকা একজন চিকিৎসক আমেনাকে নিচে নামিয়ে প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে হাতিরঝিল থানায় খবর দেন।
এ বিষয়ে সরকারি ওই কর্মকর্তা সময় সংবাদকে বলেন, ‘মেয়েটি আমার এলাকার। দেড় বছর ধরে কাজ করতো। কাল হঠাৎ এ ঘটনা ঘটেছে।’
কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল প্রশ্ন করলে তিনি ব্যস্ততার কারণে পরে কথা বলবেন বলে মোবাইলের লাইন কেটে দেন।
বিষয়টি হাতিরঝিল থানা নিশ্চিত করলেও কী কারণে বা কেন আত্মহত্যা করেছে, তা প্রাথমিকভাবে জানাতে পারেননি অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি আমাদের টিম দেখেছে, আশপাশের মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন, রাতে গণমাধ্যমকর্মীরাও ছিলেন, তারাও বিষয়টি পর্যালোচনা করছেন।’
হারিঝিল থানায় করা ডায়েরি অনুযায়ী, আমেনা খাতুনের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানার পেপুলবাড়িয়া গ্রামে। সুরতহাল রিপোর্ট সংক্রান্ত নোটে তার গলার নিচে বাম পাশে হালকা কালো দাগ ছাড়া অন্যসব কিছু স্বাভাবিক আছে।
Leave a Reply