আগস্ট মাসের দিকে মানিকগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারা সংঘটিত হয়ে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নেয়। এ সময় পাকিস্তান সরকার মেট্রিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানের আয়োজন করছিল। পরীক্ষা বানচাল করার উদ্দেশ্যে ক্যাপ্টেন আবদুল হালীম চৌধুরীর নির্দেশে মুক্তিযোদ্ধারা ঘিওর সদরে আক্রমণ করে। এ আক্রমণের ফলে ঘিওরে মেট্রিক পরীক্ষা বানচাল হয়ে যায়। এটাই ছিল মানিকগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রথম অপারেশন।
এরপর থেকে মানিকগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারা অসংখ্য যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে। এর মধ্যে গোলাইডাঙা, গাজিন্দা, আজিমনগর, সূতালড়ি, বালিরটেক, বায়রা, নিরালী, মানরার যুদ্ধ অন্যতম। সফলতম গোলাই ডাঙ্গার যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে প্রায় ৮১ পাক হানাদার নিহত হয়।
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে মুক্তিবাহিনীর আক্রমণের মুখে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাক বাহিনী পিছু হঁটতে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় ১৩ ডিসেম্বর বিকেলের পর মানিকগঞ্জ হানাদারমুক্ত হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাত ১২টা এক মিনিটে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মশাল প্রজ্বালন করে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান, মুক্তিযোদ্ধা, সরকারি কর্মকর্তারা।
জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. গোলাম মহীউদ্দীন বলেন, ১৩ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ পাক হানাদারমুক্ত দিবস। এ উপলক্ষে রাত ১২টা এক মিনিটে মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মশাল প্রজ্বালন করা হয়।
Leave a Reply