1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি করতে আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়ন

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৫৯ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এজন্য ঢাকার সঙ্গে অংশীদার ও সহযোগিতা চুক্তি বা পার্টনারশিপ অ্যান্ড কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট (পিসিএ) করতে চায় ব্রাসেলস। দুই পক্ষের আসন্ন প্রথম রাজনৈতিক সংলাপে ইইউর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রস্তাব দেয়া হবে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতে গণতান্ত্রিক নীতি ও মানবাধিকার ইস্যুতে জোর দেবে ইইউ।
সংলাপে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম আর ইইউর পক্ষে সংস্থাটির ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল এনরিকে মোরা। বৈঠকে যোগ দিতে আজ বুধবার ঢাকা আসবে ইইউ প্রতিনিধি দল। ২৫ নভেম্বর তাদের ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাদের।
ইইউর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি হচ্ছে সুশাসন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। ২০০১ সালে এ বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে দুই পক্ষ সহযোগিতা চুক্তি সই করে। ফলে তিনটি বিষয়কে ভিত্তি ধরেই দুই পক্ষের যে কোনো আলোচনা হয়ে থাকে। এবার সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে চায় সংস্থাটি। আর পিসিএর মূল ভিত্তি হচ্ছে জাতিসংঘের সনদ ও নীতিগুলো মেনে চলা। সেই সঙ্গে গণতান্ত্রিক নীতি ও মানবাধিকার মেনে চলার ওপর ভিত্তি করে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় ইইউ।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পিসিএ রয়েছে ইইউর। এ চুক্তির আওতায় দেশগুলোর সঙ্গে বৈশ্বিক উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি পরিবেশ, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন, যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, মানবাধিকার, গণতন্ত্র, শিক্ষা, কৃষি, জঙ্গিবাদ দমন, দুর্নীতি রোধ, সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, অভিবাসন এবং সংস্কৃতি নিয়ে আলোচনা করে থাকে। দেশ ভেদে আলোচনার বিষয়বস্তুতে সংযোজন-বিয়োজন রয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, পিসিএ চুক্তিটি দুই পক্ষের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও বড় আকারে করার প্ল্যাটফর্ম দেবে। এতে সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে সম্পর্ক বাড়াতে পারবে ঢাকা-ব্রাসেলস। দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও আইনি ভিত্তি পাবে।
২০২১ সালের অক্টোবরে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ব্রাসেলস সফরের সময় ইইউর সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউর দুটি বৈঠক হয়। একটি হচ্ছে জয়েন্ট কমিশন এবং অপরটি কূটনৈতিক কনসালটেশন।
রাজনৈতিক সংলাপে বহুপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় প্রাধান্য পাবে। বিশেষ করে বিভিন্ন বিষয়ে দুই পক্ষের কৌশলগত অবস্থান আলোচিত হবে।

এতে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে কৌশল, জঙ্গিবাদ দমন, প্রতিরক্ষা, শান্তি রক্ষা ও সংকটে সাড়াদান, কানেকটিভিটি, রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি, ইউক্রেন সংকট, ইউক্রেন সংকটের ফলে প্রভাব, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, ইরানের পরমাণু কার্যক্রম, জলবায়ু, মানবাধিকারসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হবে। বৈঠকে ঢাকা ও ব্রাসেলস নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121