July 30, 2026

ফেনীর পরশুরামে পুলিশের টোকেনে চলে সিএনজি ব্যাটারি চালিত টমটমের জন্য দিতেহয় মাসোহারা

1
সি-এন-জি-708x350@2x

“শিবব্রত”

সবধরনের অটৌরিকশা ও লাইসেন্স বিহীন অবৈধ যান চলাচলের ওপর হাইকোর্টৈর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সড়ক পরিবহন সুত্র থেকে ও এব্যাপারে একাধিকবার কঠোর মনোভাব দেখানো হয়েছে এবং পুলিশকেও এ ব্যাপারে সজাগ থাকার জন্য একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।আর এখন পুলিশের দেওয়া টোকেন নিয়ে চলছে পরশুরাম সহ ফেনী শহরে সিএনজি সহ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা।একমাস পর পর নিতে হয় এই নতুন টোকেন। খোঁজ নিয়ে গত এক বছরের ওবেশি সময় ধরে টোকেনের খবর পাওয়া গেছে।তবে একাধিক সিএনজি ও অটোরিকশা চালকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দু’বছরের ও বেশি সময় ধরেই পুলিশের টোকেন বানিজ্য চলছে।এর বৈধতা দিচ্ছে পুলিশ।আর এ সুযোগে পরশুরাম সহ ফেনীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় চলছে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ সিএনজি সহ বিভিন্ন যানবাহন ও মালবাহি গাড়ি। পরশুরাম সহ ফেনীতে ২০হাজারের ও বেশি ওইসব টোকেনে চালিত অবৈধ সিএনজিসহ বিভিন্ন প্রকারের যানবাহন ও মালবাহি গাড়ি রয়েছে যা একটি সমর্থিত সুত্র নিশ্চিত করেছে ।এব্যাপারে ফেনী পুলিশ সুপার অফিস সূত্র জানায়, “টোকেন নিয়ে এধরণের সিএনজি চালানোর কোন সুযোগ নেই। লিখিত বা সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, অবৈধ সিএনজি চালকদের নির্দিষ্ট লাইনম্যানের নিকট থেকে প্রতিমাসে বাহারি রঙের টোকেন সংগ্রহ করতে হয়।ওই টোকেন গাড়ি বা সিএনজির সামনের গ্লাসে লাগানো থাকলে পরশুরাম সহ ফেনী এলাকায় লাইসেন্স বিহীন অবৈধ সিএনজি চালাতে কোন পুলিশি সমস্যা হয়না।
সরজমিনে দেখা যায় , প্রায় সিএনজির সামনের গ্লাসে প্লাষ্টিকের পাতলা গোল কাগজের টোকেনে লাল সবুজ ইত্যাদি রংয়ের সংশ্লিষ্ট থানার নাম ও তারিখ লেখা রয়েছে এজাতীয় টোকেন লাগানো রয়েছে।আর প্রতিমাসে ওই টোকেনের জন্য এলাকাভেদে ৫০০থেকে ১০০০টাকা গুনতে হয় ওইসব সিএনজি চালকদের। প্রতিমাসে টোকেনের রং দেখেই লাইসেন্স বিহীন অবৈধ সিএনজি গুলো ছেড়ে দেয় পুলিশ।পরশুরামের সিএনজি চালক ফরিদ বলেন, আগে যখন সিএনজি নিয়ে বের হতেন তথন ভয়ে থাকতেন কখন পুলিশ ধরে।তিনি(ফরিদ) জানান ,টোকেনের জোরে এখন পুলিশ ই তাদের নিরাপত্তা দেয়।তাই আর ভয় লাগেনা।অপর সিএনজি চালক জাহাঙ্গীর বলেন, লাইসেন্স বিহীন সিএনজি বৈধ নয়।তাই পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে টোকেন নিতে হয়। সিএনজি মালিক সমিতি ও পুলিশ মিলে এইসব টোকেন তৈরি করে বলে ও জানান চালক জাহাঙ্গীর।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে অন্য এক চালক জানান, টোকেন থাকলে সিএনজি চালাতে কোন পুলিশি সমস্যা হয়না।তবে পুলিশ ঠিক থাকলে ও ট্রাফিক পুলিশের কাছে এই টোকেনের কোন মূল্য নেই।তারা ধরলে মামলা দেয় অথবা ছাড়িয়ে আনতে ৬/৭হাজার টাকা লাগে। মালিক সমিতির কারা টোকেনের সাথে জড়িত জানতে চাইলে, উপস্থিত চালকরা তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ কর্মকর্তারা জানান,” সিএনজি কিভাবে চলে সেটা দেখার দায়িত্ব ট্রাফিক পুলিশের।”টোকেনের ব্যাপারে তারা কিছু জানেনা বলেও জানায়।
এদিকে পরশুরাম উপজেলায় পরশুরাম বাজার,কালীবাজার,বিলোনীয়া,গুথুমা , সাহেব নগর,বটতলী, সলিয়া ও বাশপদুয়া রোডে প্রতিদিন প্রায় ২/৩শ ব্যটারি চালিত টমটম চলাচল করে।ওইসব প্রতি অটোরিকশা থেকে প্রতিমাসে ২০০টাকা করে পরশুরামে দুবলাচাঁদ গ্রামের কাদের পরশুরাম থানার জন্য নিয়ে থাকেন বলে জানায় সংশ্লিষ্ট টমটমের চালকরা

1 thought on “ফেনীর পরশুরামে পুলিশের টোকেনে চলে সিএনজি ব্যাটারি চালিত টমটমের জন্য দিতেহয় মাসোহারা

  1. শ্যামনগরে আপন ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

    প্রতিনিধিঃ মোঃ মেহেদী হাসান
    শ্যামনগর উপজেলা সাতক্ষীরা

    মাহমুদপুরে আজ রবিবার
    সকালে আনুমানিক নয় ঘটিকার সময় এক ভাইয়ের হাতে অপর লোকমান নামে বড় ভাই খুন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়ে এই খুনের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

    জানা গেছে, আজ সকালে শ্যামনগর মাহমুদপুর গ্রামের লোকমান হোসেন তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দোকান খুললে উক্ত দোকানসহ জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে ঝক্কি ঝামেলা সৃষ্টি হয় তার ভাইয়ের মোশাররফ হোসেনের সাথে । আজ সকালে তর্ক বির্তকে এক পর্যায়ে তার মেজো ভাই মোশাররফ হোসেন তার বড় ভাই লোকমান হোসেনকে রড দিয়ে আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।
    এই বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী ওয়াহিদ মোর্শেদ ক্রাইম তালাশ টুয়েন্টিফোরকে জানিয়েছেন সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে আমিসহ থানা পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed