September 2, 2026

মানবিক সাহায্যের আবেদন বাঁচতে চায় জসীম উদ্দিন

0
received_2986822318308849

 

স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম:
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৩ নং নান্দাইল ইউনিয়নের সাভার গ্রামের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মৃত আইনুদ্দিন এর ছেলে নাম মোঃ জসীমউদ্দীন। গ্যাস্ট্রিক আলসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসার অভাবে ভুগছিলেন। ডাক্তারের পরামর্শে প্রথমবার অপারেশন করেন। কিছুদিন পর প্রসাব পায়খানার সমস্যা দেখা দেয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে পাইনি কোনো সাহায্য। কষ্ট যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে, বাবার রেখে যাওয়া কষ্টের ৬ শতাংশ ভূমি যাহা বাবার ভিটে, কষ্টের যন্ত্রণায় বাঁচার তাগিদে সাড়ে চার শতাংশ ভূমি বিক্রি করে পুনরায় দ্বিতীয়বারের মতো চিকিৎসা করলেও সুস্থ হতে পারেননি জসীমউদ্দীন। তাহারে এক কন্যা ও সাত বছরের এক ছেলে রয়েছে। জসীমউদ্দীনের স্ত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করে সাহায্য জুটিয়ে দরিদ্র পরিবারে কন্যাকে বিয়ে দেন। জসীমউদ্দীন কর্মহীন হয়ে যাওয়ায় ক্ষুধার যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ৭ বছরের মনির নামে এক শিশু সন্তানকে বাবার কাছে রেখে ক্ষুধা নিবারণে জন্য চলে যান কাজের উদ্দেশ্যে ঢাকায়, বাড়িতে ফিরেন নি তার স্ত্রী। অসহায় কর্মহীন জসীমউদ্দীন নিজের ঔষধ ও সাত বছরের শিশু সন্তান টির মুখে খাবার জুটাতে মানুষের দুয়ারে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ছুটছেন জসিম উদ্দিন। জনপ্রতিনিধিদের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে মিলেনি কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা। জসীমউদ্দীন এর

শেষ সম্বল দের শতাংশ ভিটে একটি ভাঙ্গা সাপরা ঘর , যাহা তার সাত বছরের শিশু ছেলেটির জন্য রেখে যেতে চান, তাহার বাবার শেষ স্মৃতি টুকু।

অসহায় হতদরিদ্র কর্মহীন জসীমউদ্দীন বাঁচতে চায় তার শিশু সন্তানকে বাঁচাতে চায়।

মানবিকতার দৃষ্টিতে এবং আমাদের সমাজের একজন ভাই হিসেবে যার যার জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সাহায্য করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারবো। আমি সমাজের মানবিক ও বিত্তশালীদের প্রতি অনুরোধ করবো আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো এই ভাইয়ার জীবন বেঁচে যেতে পারে।

সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *