September 2, 2026

তিনানী সরকারী আদর্শ মহা-বিদ্যালয় রোডে দুটি রেন্টি কড়ই গাছ কাটা বিষয়ে মিমাংশার পর পুনরায় দু পক্ষের মধ্যে রশি টানা টানি

0
received_517787879360922

 

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার তিনানী সরকারী আদর্শ মহা-বিদ্যালয় যাতায়াতের রাস্তার পাশের দুটি রেন্টি কড়ই গাছ কাটা বিষয়ে মিমাংশার প্রায় ১ বছর পর কলেজের দুই প্রভাষক এর সাথে রশি টানা টানি চলছে বিধবা মহিলা ফাতেমার সাথে। ২২ মে শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিধবা মহিলা ফাতেমার ঘরের পীড়া সংলগ্ন প্রায় ২০ বছরের পুরনো দুটি রেন্টি কড়ই গাছ ফাতেমা বেগমের প্রয়োজনে কেটে ফেলা হয়েছে। ওই গাছ দুটি ফাতেমা বেগমের শ্বশুড় লতিফ মেম্বার লাগিয়েছিলেন। গাছ দুটি বড় হওয়ার কারণে গাছের ডালপালা দ্বারা ফাতেমা বেগমের ঘরের ক্ষতি হয়ে আসছিল। ফলে ফাতেমা বেগম প্রথমে গাছের কিছু ডালপালা কেটে ফেলেছিল। দিন দিন একটি গাছ একেবারেই পচন ধরে গেছে এমতাবস্থায় ফাতেমা গাছদুটি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়। এসময় কলেজ কর্তৃপক্ষ গাছ কাটতে বাধা সৃষ্টি করে। অবশেষে বিধবা ফাতেমা বেগম তার জমির উপর শ্বশুড়ের রোপনকৃত গাছদুটি কাটার জন্য কলেজের সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন। ওই আবেদনের উপর ভিত্তি করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কলেজ অধ্যক্ষকে জমি পরিমাপ করে গাছ কাটার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। সেই মোতাবেক উভয় পক্ষের আমিন দ্বারায় জমি পরিমাপের পর ফাতেমার জমির মধ্যে গাছ দুটি বিদ্যমান থাকায় অধ্যক্ষ ফাতেমাকে গাছ কাটার মৌখিক অনুমতি প্রদান করেন। কিন্তু সে মোতাবেক দীর্ঘ ১ বছর আগে ফাতেমা বেগম গাছ দুটি কেটে ওই স্থানেই রেখে দেন। গত ২১ মে শুক্রবার গাছ দুটি ১৪ হাজার টাকা দাম সাবস্ত করিয়া ওই এলাকার আঃ কুদ্দুছ নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী কাছে ফাতেমা বেগম গাছ দুটি বিক্রি করেন। এর পর থেকেই ওই কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষক কর্মচারী ফাতেমা বেগমের উপর বিভিন্ন ভাবে দোষ চাপিয়ে গাছ দুটি দাবী করে আসছে। এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, গাছ দুটি ফাতেমার জমিতেই বিদ্যমান ছিল। তবে তার শ্বশুড় লতিফ মেম্বার মৌখিক ভাবে কলেজকে দান করেছিল। আমি কলেজের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের পরামর্শ অনুযায়ী জমি পরিমাপ করিয়া গাছ দুটি ওই মহিলাকে ছেড়ে দেই। ওই কলেজের প্রভাষক মাসুদুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম জানান, গাছ দুইটি নয় তিনটি, প্রায় ৩ লক্ষাধীক টাকা মূল্য। তবে মূলত রেন্টি কড়ই, যাকে বলে ছায়া গাছ এই গাছটি বাজারে সবচেয়ে কমদামী কাঠ। যাহা সরেজমিনে গিয়ে জানা ও দেখা গেছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *