কুড়িগ্রামে বিভিন্ন চরে পরিত্যাক্ত জমিতে চিনা চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে
রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামে বিভিন্ন চরাঞ্চলে চিনার আবাদ ভালো ফলন হয়েছে হতদরিদ্র কৃষকরা কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় এ চাষে দিনদিন আগ্রহ বারছে সরেজমিন এ জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার ৯ টি উপজেলার ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র নদীর সংলগ্ন বিভিন্ন চর এলাকা গুলোতে এবারে চিনা আবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিবছর বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পলি ও বালু মিশ্রিত মাটিতে চিনা চাষাবাদ করা হয়। যাহাতে অন্য কোন ফসল চাষাবাদ কম হয়। উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের আকেল মামুদ, রসুলপুর, মিয়াজীপাড়া, বালাডোবা, মশালের চর ও ফকিরের চর সহ বুড়াবুড়ী ইউনিয়নের কলাকাটা চর মোহাম্মদপুর, জলঙ্গার কুটি বিস্তীর্ণ জেলার বিভন্ন চর এলাকায় চিনা চাষে দিন-দিন কৃষকদের আগ্রহ বারছে। কৃষক আব্দুল বারেক, ভোলা মিয়া ও মনছুর আলীসহ অনেক এ জানান লাভের আশায় এবার পরিচর্যা করা হচ্ছে। ২/৩ বার করে সেচ দেওয়া হচ্ছে তা ছাড়া ও কৃষি অফিসের মাঠ কর্মকর্তার পরামর্শ ক্রমে ইউরিয়া সার ও কীটনাশক স্পে করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এ চাষে লাভবান হওয়ার আশা জানিয়েছেন কৃষকরা। প্রতি বিঘায় ১ কেজি করে চিনা বীজ জমিতে বপন করা হয়। প্রতি বছর চিনা আবাদের জন্য পারিবারিক ভাবে বীজ সংরক্ষন করা হয়ে থাকে ভালো ফলন হলে বিঘা প্রতি জমিতে ৬-৭ মণ ফসল উৎপন্ন হয়। বৈশাখ মাসে চিনা আবাদের কাটা-মাড়াই শুরু হবে। চিনার দানা দিয়ে বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরি হয়, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষকরা কিছুটা সাবলম্বি হওয়ার আশা করা হচ্ছে। বর্তমান বাজার মূল্য মন প্রতি ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। উলিপুর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাজেদুল করিম জানান, এবারে চিনা আবাদের ভাল ফলন হয়েছে। কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাহাতে পরিত্যাক্ত জমিতে চিনা আবাদের উপর কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।