September 1, 2026

ঝিনাইগাতীতে ৭ ও ১৭ মার্চ পালনে অস্বীকার করায় চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত! ক্ষমা চেয়ে রক্ষা

0
156770853_777033356575787_3248624115064307105_n

 মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ও ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালনে অস্বীকার করায় এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লাঞ্ছিত হয়েছে বলে জানা গেছে। অবশেষে সভায় সকলের সামনে ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছেন। আজ ৪ মার্চ সকালে দিবস দুটি পালন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যোগে স্থানীয় উপজেলা পরিষদ হল রুমে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।ইউএনও রুবেল মাহমুদ এর সভাপতিত্বে এ সভায় ৭ ইউনিয়নে ৭ দিন নিজ খরচে কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।এসময় কাংশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক তার ইউনিয়নে কর্মসূচি বাস্তবায়নে অস্বীকার করেন। এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতৃবৃন্দসহ সভায় উপস্থিত অন্যান্যরা প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান জহুরুল হক নেতাদেরকে “ফাউ নেতা” বলে তিরস্কার করেন। এ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতাসহ জাসদ নেতৃবৃন্দ ব্যাপকভাবে ওই চেয়ারম্যান জহুরুলকে লাঞ্ছিত করে। নেতারা তার বক্তব্য প্রত্যাহারসহ ক্ষমা চাওয়ার দাবী জানায়।অবস্থা বেগতিক দেখে অবশেষে ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পান চেয়ারম্যান জহুরুল হক।এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্থানীয় সাংবাদিকদের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আওয়ামী লীগে যোগদান না করেই অন্য দল থেকে এসে নৌকা মনোনয়ন নিয়ে চেয়ারম্যান হয়ে তিনি দলের সাথে কোন সম্পর্ক রাখেননি।তাই বঙ্গবন্ধুর জন্ম বার্ষিকী পালনে তার অনীহা প্রকাশ পেয়েছে তার বক্তব্যে।উপজেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মশিউর রহমান বলেন,দলে যোগদান না করেই নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান হওয়ায় এতবড় সাহস পেয়েছে।বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার হোসেন তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওই চেয়ারম্যানের বহিস্কারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিj দাবি করেন।জাসদ সাধারণ সম্পাদক একেএম ছামেদুল হক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ওই চেয়ারম্যান জহুরুল হকের অপসারণসহ তার বিরুদ্ধে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবী করেন।এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান জহুরুল হকের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *