August 27, 2026

মোবাইলে প্রেম, এক সন্তান সহ প্রবাসীর স্ত্রী উধাও

0
received_1160375827691076

 

বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি

ভোলা, বোরহানউদ্দিন ৮ নং পক্ষিয়া, ৫ নংবাটামার, সোমবার ০৯ নভেম্বর ২০২০ ইং
মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে এক সন্তান সহ প্রবাসী স্বামীর গচ্ছিত স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে জিন্নাত বেগম নামের এক গৃহবধূ।

গত ০৯ নভেম্বর ৮ নং পক্ষিয়া, বাটামারা দেলু মুন্সী ফরাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরকীয়া করে প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী উধাও হওয়ার ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উভয়ের পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বোরহানউদ্দিন উপজেলা পক্ষিয়া বাটামারা মোতাছিন ফরাজীর ছেলে কবিরের সঙ্গে ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর ৮ নং পক্ষিয়া ৫ নং বাটামারা ওয়ার্ডে জিন্নাত বেগমের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়।

দাম্পত্য জীবনে তাদের জুবায়ের (০৭) নামের এক ছেলে রয়েছে। কবির জীবিকার প্রয়োজনে ২০১৮ সালে সৌদি চলে যান।

কবির বিদেশ যাওয়ার পর থেকে জিন্নাত বেগমের মোবাইলে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সম্পর্কের জের ধরেই গত ০৯ নভেম্বর ২০২০ দুপুর ১ ঘটিকার সময় ব্যাংকে টাকা তুলবে বলে বাড়ী থেকে ১ সন্তান সহ জিন্নাত পালিয়ে যায়। কার সাথে গিয়েছে এখন পর্যান্ত নিশ্চিত করা যায়নি।

জিন্নাত বেগমের প্রবাসী স্বামী কবির বলেন, সংসারের অভাব দূর করতে এবং স্ত্রী-সন্তানের সুখের কথা ভেবে ২০১৮সালে বিদেশ চলে যাই। সেখানে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করে মাসে মাসে ২০ হাজার টাকা করে পাঠিয়েছি। প্রবাসে থাকাকালে বেশিরভাগ সময়ে স্ত্রীর মোবাইলে ফোন দিয়ে তাকে ব্যস্ত পাই। কার সঙ্গে কথা বলছো জানতে চাইলে, সে বলতো তার বাপের বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেছে। ০৯ নভেম্বর ২০২০ তারিখ সকাল ১২ টার দিকে আমাকে ফোনে বলে চেকের পাতা শেষ হয়ে গেছে নতুন পাতা আনতে হবে, বলে বাসা থেকে বের হয়। বিকালে আমার স্ত্রী ফোনে কল দিলে মোবাইল বন্ধ পাই, বিকাল ৫ টার সময় শুনতে পাই আমার স্ত্রী বাসায় ফিরে নাই। পালিয়ে গেছে।

কবির আরও বলেন, সে আমার নিষ্পাপ এক সন্তান সহ প্রেমিকের হাত ধরে চলে গেছে। যাওয়ার সময় প্রায় (২,৬৫০০০)দুই লাখ পঁয়ষট্টি হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারগুলো নিয়ে গেছে। এখন আমি আমার সন্তানকে ফিরে ফেতে চাই। এই বিষয়টি আমার মা- বাবাকে বলি থানা একটি জিডি করতে , জিডি নাম্বার ৪১০.

প্রবাসী কবিরের মা- বলেন– আমি রান্নাঘরে, রান্না নিয়ে ব্যস্ত আছি জিন্নাত কে খুব তাড়াহুড়া করতে দেখি, আমার মনে সন্দেহ হয়, জিন্নাত কে জিজ্ঞাসা করি তুমি কেন এত তাড়াহুড়া করো জিন্নাত আমাকে বলে আপনার ছেলে বলছে ব্যাংকে গিয়ে নতুন চেক বই আনতে, আমি বোরহানউদ্দিন ব্যাংকে যাবো সেই জন্য তাড়াহুড়া করতেছি মা- এই বলে আমার বউ মা বের হয় এবং সংঙ্গে আমার আদরের নাতী জুবায়েরকে নিয়ে যায়, আমি আপনাদের মাধ্যমে আইনের সাহায্য চাই, আমার নাতী জুবায়েরকে আমার বুকে ফিরে পেতে চাই। আমরা জিন্নাত বেগমের বাবার কাছে কিছু জানতে চাইলে তিনি বলেন – আমার একমাত্র মেয়ে আমার আর কোনো মেয়ে নেই, জিন্নাত যে এমন একটি কাজ করবে আমি ভাবতেই পারিনা। আগের থেকেও আমি বুজতে পারলে ওকে একা ব্যাংকে পাঠাতাম না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *