কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই
সৈয়দ হোসাইন শাহীন কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদর হাসপাতালে বিভিন্ন উপজেলা এবং ইউনিয়ন থেকে আশা রোগীদের কষ্টের শেষ নেই, সরেজমিনে দেখা যায় হাসপাতালের ৫ম তলায় পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত পরিমাণ বেট থাকলেও নেই কোন চাদর। রোগীকে নির্দিষ্ট ছিটে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে যিনি আছেন ওয়ার্ড বয় নামে পরিচিত নাম জসীমউদ্দীন তার কাছে জানতে চাইলে, জসীমউদ্দীন বলেন একটা চাদর ও ধোয়া নেই, ওই ওয়ার্ডে আনুমানিক ৪০ টার মত রোগী রাখার সিট থাকলেও পাওয়া যায়নি একটা চাদর ও। সিটের নিচে দেখা যায় ময়লা ভর্তি প্লাস্টিকের ঝুড়ি, ওয়ার্ড এর পশ্চিমে গেলে দেখা যায় উপরে লিখা আছে টয়লেট, ভিতরে প্রবেশ করলে দেখাযায় ডান পাশে গোসল খানা এবং বাম পাশে টয়লেট, গোসল খানায় পানির লাইন সব ঠিক থকলেও নেই কোন পানির টেপ৷ রোগীর সাথে থাকা অভিভাবকরা অপারগ হয়ে পশ্রাব করছেন গোসল খানায় তা-ও পানিছাড়া, কেউ কেউ মিনারেল পানির বোতল নিয়ে যাচ্ছেন পানি খরচ করার জন্য, দুর্গন্ধ এমন ভাবে ছড়াচ্ছে যা মাক্স পড়ার পরও শ্বাস নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। ডান পাশে দেখা যায় দুই টা দরজা উপরে লেখা আছে টয়লেট ভিতরটা খুবই অন্ধকার চার সুইজের বোর্ড থাকলেও নাই কোন আলোর ব্যবস্তা, মোবাইলের আলো দিয়ে দেখাযায় কমেট ভর্তি ময়লা যা দেখলে সুস্থ ব্যক্তি নিজেও অসুস্থ হওয়ার সম্ভবনা বেশি, তার পরও জানবাঁচানোর জন্য অসহায় হয়ে সেবার উদ্দেশ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে জেলার সাধারণ দুর দুরান্ত থেকে আাসা অসহায় অসুস্থ ব্যক্তিদের। হাসপাতালের নিচে দক্ষিণ গেইটে সামনে লাশ রাখার মর্গের পাশে দেখাযায় পাবলিক টয়লেট, গোসল ১৫টাকা এবং পশ্রাব পায়খানা ৫টাকা, চলছে জম জমাঠ ব্যবসা, রোগী এবং সাথে থাকা অভিভাবকরা অপারগ হয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে পাবলিক টয়লেট অনেকে আবার নিয়ে আসেন রোগীকে ও দেখাযায় গেইটে দাঁড়িয়ে থাকা সিকিউরিটি গার্ড ধাক্কা দিয়ে বের করে দিচ্ছেন রোগীর খাবারের জন্য বাহির থেকে আসা অভিভাবক দের কে, রোগীর সাথে আসা অনেকে বলেন টাকার লেনদেন করলে ভালো ব্যবহার আসা করাযায় তা নাহলে এইভাবে ধাক্কা দিয়ে বেরকরে দেওয়াটা ওদের জন্য নতুন কিছু না, এভাবে আর কতদিন ধাক্কা ধাক্কি করতে হবে সাধারন জনসাধারন কে , এমন অভিযোগ করেন বিভিন্ন উপজেলা -ইউনিয়ন থেকে আসা ভুক্তভোগী মানুষ গুলা। সবার মুখে একি কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানান তারা দেখতে চাই সুন্দর ব্যবহার করার মতো মানুষগুলোকে, এবং কক্সবাজার জেলার সাধারণ মানুষ হাসপাতালের কর্মচারিদের এই কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে সু দৃষ্টি কামনা করেন