1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন

লোহাগড়ায় এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু ফেলে পালিয়েছে সহকর্মীরা

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ২০৯ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন

মো: অাজিজুর বিশ্বাস ব্যারো নড়াইল। নড়াইলের লোহাগড়া পিয়ারলেস ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুপ্তীকে মুমূর্ষ অবস্থায় লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে গেছেন তার সহকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে পরিবারের লোকদের মাধ্যমে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মৃত্যুর কোলে ঢ’লে পড়েন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষীপাশা এলাকায় অবস্থিত অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পৌরসভার রাজুপুর গ্রামের বাবুল শেখ এর মেয়ে ও উপজেলার শিয়েরবর গ্রামের আমিনুর রহমানের স্ত্রী সুপ্তী খানম (২৫) প্রায় দেড় মাস আগে মাঠ কর্মী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করে। গত বুধবার রাত আটটার দিকে সুপ্তীর মাকে ফোন করে জানানো হয় সুপ্তী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এলাকায় বিকেল ৪ টার দিকে এক সহকর্মীর মোটরসাইকেল হতে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে লোহাগড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। খবর পেয়ে সুপ্তীর পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। সেখানে এসে মেয়েকে পেলেও কোন সহকর্মীকে পাওয়া যায় নি। সুপ্তী গুরুতর হওয়ায় সেখান কার মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রিপন ঘোষ তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরিবারের লোকজন তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সদর হাসপাতালে রওনা হলে পথিমধ্যে সুপ্তী মারা যায়। নিহত সুপ্তীর চাচা জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে রাত সাড়ে আটটার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, সুপ্তী শারীরিক ভাবে একটু দুর্বল ছিল। বুধবার বিকেলে অফিসের কাজে সহকর্মীর মোটর সাইকেলে যোগে কাশিয়ানীতে যায়। বিকালে অফিসে ফিরে আসার সময় সহকর্মীর মোটরসাইকেল এর পিছন থেকে সে পড়ে যায় এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকদের অভিযোগ সুপ্তী মোটরসাইকেল হতে পড়ে যায় নি। তাকে কোন ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। তার শরীরে এক্সিডেন্ট করে আহত হওয়ার মতো কোনো চিহ্ন নেই। শুধুমাত্র তার বাম চোখের উপরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে এবং নাক দিয়ে রক্ত আসছিল। তার সহকর্মীরা হাসপাতালে তাকে রেখে পালিয়ে যাওয়া এবং সকল সহকর্মীদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সুপ্তীর মৃত্যু রহস্যজনক বলে মনে করছেন পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, সুপ্তীর লাশ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো সঠিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে । তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।মো: অাজিজুর বিশ্বাস ব্যারো নড়াইল। নড়াইলের লোহাগড়া পিয়ারলেস ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নিহত সুপ্তীকে মুমূর্ষ অবস্থায় লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে গেছেন তার সহকর্মীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে পরিবারের লোকদের মাধ্যমে সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মৃত্যুর কোলে ঢ’লে পড়েন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার লক্ষীপাশা এলাকায় অবস্থিত অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পৌরসভার রাজুপুর গ্রামের বাবুল শেখ এর মেয়ে ও উপজেলার শিয়েরবর গ্রামের আমিনুর রহমানের স্ত্রী সুপ্তী খানম (২৫) প্রায় দেড় মাস আগে মাঠ কর্মী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করে। গত বুধবার রাত আটটার দিকে সুপ্তীর মাকে ফোন করে জানানো হয় সুপ্তী গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী এলাকায় বিকেল ৪ টার দিকে এক সহকর্মীর মোটরসাইকেল হতে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে লোহাগড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। খবর পেয়ে সুপ্তীর পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে ছুটে আসেন। সেখানে এসে মেয়েকে পেলেও কোন সহকর্মীকে পাওয়া যায় নি। সুপ্তী গুরুতর হওয়ায় সেখান কার মেডিকেল অফিসার ডাক্তার রিপন ঘোষ তাকে নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরিবারের লোকজন তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে সদর হাসপাতালে রওনা হলে পথিমধ্যে সুপ্তী মারা যায়। নিহত সুপ্তীর চাচা জানান, ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে রাত সাড়ে আটটার দিকে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, সুপ্তী শারীরিক ভাবে একটু দুর্বল ছিল। বুধবার বিকেলে অফিসের কাজে সহকর্মীর মোটর সাইকেলে যোগে কাশিয়ানীতে যায়। বিকালে অফিসে ফিরে আসার সময় সহকর্মীর মোটরসাইকেল এর পিছন থেকে সে পড়ে যায় এবং গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের সকলের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকদের অভিযোগ সুপ্তী মোটরসাইকেল হতে পড়ে যায় নি। তাকে কোন ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। তার শরীরে এক্সিডেন্ট করে আহত হওয়ার মতো কোনো চিহ্ন নেই। শুধুমাত্র তার বাম চোখের উপরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে এবং নাক দিয়ে রক্ত আসছিল। তার সহকর্মীরা হাসপাতালে তাকে রেখে পালিয়ে যাওয়া এবং সকল সহকর্মীদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সুপ্তীর মৃত্যু রহস্যজনক বলে মনে করছেন পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, সুপ্তীর লাশ হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। কি কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো সঠিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে । তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121