উত্তর রামনগর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে নতুন করে স্থাপনা করে আরেকটি মাদ্রাসা।
ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানা ১০নং ধুরাইল ইউনিয়নের উত্তর রামনগর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নাম ব্যবহার করে। নতুন করে স্থাপন হয়।আর একটি মাদ্রাসা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে।উত্তর রামনগর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলেন।আমাদের এই প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। ১৯৮৮ /সনে পরে।২৫/১১/২০১৩ ইং তারিখেঃ ম্যানিজিং কমিটির মাধ্যমে মোঃ শফিকুল ইসলম প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ হয়। ম্যানিজিং কমিটির মাধ্যমে দীর্ঘ দিন মাদ্ররাসার পরিচালনা সুষ্ট ভবে চলা অবস্থায়।প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম কমিটির কার্যক্রম উপেক্ষা না করে নিয়ম বর্হিভূত ভাবে আমাদের অজান্তে ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে নতুন সহকারি শিক্ষক নিয়োগ দেয়।
যা ম্যানিজিং কমিটির অজানা।তার পার বিষয়টি পরস্পর জানতে পেরে প্রধান শিক্ষ কে,
জিঞ্জাসা করলে।
আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন এবং আমাদেরকে মাদ্ররাসার কার্যক্রমে আসতে নিষেধ করেন। কিছু দিন পর মাদ্ররাসাটি স্থান্যন্তরের বিষয়টিও জানতে পারি।
যার জন্য প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্টানেের সকল কাগজপত্র নিয়ে লুকিয়ে ফেলে।আমরা প্রতিষ্টানেের কাগজ চাইলে আমাদেরকে দিতে অস্বীকার করে।
এলাকাবাসী জানান এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৮/থেকে ১০/ জন ছাত্র ছাত্রি উপবৃত্তি পেয়েছে বলে জানান মাদ্রসার কোড নং-৫২৯১৭ একাডেমিক স্বীকৃতির তারিখঃ ৩১/১২/১৮
এ বিষয়ে গত,১৭/১১/২০১৯ ইং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন বলে জানা যায়।উত্তর রামনগর স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ বাবুল মিয়া।বলেন
তারপরও কোনো সুরাহা পাননি বলে জানান এ বিষয়ে জেলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ কোর্টে মামলা দায়ের করেন।
এলাকাবাসীর দাবি যত দ্রুত সম্ভব এদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দেয়া হোক যাতে করে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের দুর্নীতির শিকার না হয়।