1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঝিকরগাছার বাঁকড়ায় ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজন আটকায়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৯৩ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন
বিল্লাল হুসাইন,যশোর প্রতিনিধি: যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া পারবাজার কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে রোগীর স্বজন আটক রেখে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সুত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের মাটিকোমরা গ্রামের নিলু চন্দ্র দাসের মেয়ে,স্বরসতি রাণীর (২২) প্রসাব বেদনা উঠলে গত (২৩ অক্টোবর ) শুক্রবার রাতে তাকে বাঁকড়া পারবাজার কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল ক্লিনিকে নেয়া হয়। ক্লিনিকের মালিক আব্দুর রশিদ তাকে নরমালে ডেলিভারি করাবেন, বলে ৩ হাজার টাকার চুক্তি করে। পরে তিনি নিজেই আলট্রাসনোগ্রাফী করে বাচ্চার পজিশন খারাপ দেখে রোগীর অভিভাবককে সিজার করার পরামর্শ দেন। তার জন্য তাদের নিকট ১২ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানান। তখন রোগীর অভিভাবকরা তাকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে চাইলে তাদের কাছে ৩ হাজার টাকা চায় ক্লিনিক মালিক আব্দুর রশিদ। ফলে তারা ক্লিনিক মালিককে না জানিয়ে চলে আসে এবং বাঁকড়া সায়রা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করেন। পরে রোগীর বাবা নিলু চন্দ্র দাস ও আত্মীয় রতন কুমার দাস আলট্রাসনোগ্রাফী রিপোর্ট আনতে গেলে তাদের আটক করে রাখে এবং টাকা পরিশোধ করার কথা বলে আব্দুর রশিদ। পরে বাঁকড়া সরকারী হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: রাজিবুল হাসানের হস্তক্ষেপে ৫শত টাকা দিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে কপোতাক্ষ সার্জিক্যাল ক্লিনিকের মালিক আব্দুর রশিদের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, রোগী আসার পরে আমি আলট্রাসনোগ্রাফী করে দেখি বাচ্চার পজিশন খারাপ,তারা সিজার করতে চাইলে আমি ১২ হাজার টাকার কথা বলি এবং সর্বশেষ ৮ হাজার টাকার চুক্তি হয়। কিন্তু ওরা আমাদের কাউকে কিছু না বলে ক্লিনিক থেকে পালিয়ে যায়। এজন্য তারা পরে আসলে তাদের আটক করা হয়েছিল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান খোলা না রাখলে চলবো কিভাবে। ষ্টাফদের বেতন দেওয়া, ঘরভাড়া প্রদান সবই করতে হয়। এছাড়া সবাই চালাচ্ছে, তাই আমিও চালাচ্ছি। তার আলট্রাসনো করার বৈধ আছে কি না? জানতে চাইলে বলেন, আমি কোন রিপোর্ট করিনি। অভিজ্ঞতার আলোকে শুধুমাত্র বাচ্চার পজিশন দেখেছি।
উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুর রহমান বলেন, লাইসেন্স না থাকায় যশোর সিভিল সার্জন স্যার অভিযান চালিয়ে তাদের ক্লিনিক বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরও তারা খুলে রেখেছে। এজন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি প্রশাসনকে এ ব্যপারে জানিয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121