August 26, 2026

যশোরে বাল্য বিবাহের অভিযোগে ছেলে -মেয়ে আটক

0
images (18)

 

যশোর প্রতিনিধি।।

যশোর সদর উপজেলার ৬নং কাশিমপুর ইউনিয়নের কেফায়েতনগর গ্রামে একটি বাল্যবিবাহের কাজ সম্পন্ন করেন সহকারী কাজী সহিদুল ইসলাম। যার সংবাদ সংগ্রহ করতে যায় সাংবাদিক ও মানবাধিকারের একটি টিম। নিউজ সংগ্রহের একপর্যায়ে জানা যায়,

বিভিন্ন প্রকার নামে-বেনামে বিবাহ তালাক দেওয়ার রেজিস্টার কাজী আব্দুল হাইএর সহকারী শহিদুল ইসলাম অবৈধ ভাবে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বাল্য বিবাহ, তালাক সহ বিভিন্ন প্রকার অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। ৬নং কাশিমপুর ইউনিয়নের কাজী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সিদ্দিকীর সহকারী কাজী শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি বাল্য বিবাহের অভিযোগ পাওয়া যায়।অভিযোগে জানা যায় (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) ১০,০০০ হাজার টাকার বিনিময়ে তিনি এই বাল্যবিবাহ পড়িয়েছেন ও ২০০০ টাকার বিনিময়ে কাবিননামা প্রদান করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে এছাড়াও আরো অনেক বাল্যবিবাহের প্রমাণ আসে সাংবাদিকদের কাছে।

বাল্য বিবাহ প্রতি ১০,০০০ (দশ) হাজার থেকে ২০,০০০ (বিশ) হাজার টাকা করে নেন বলে ও অভিযোগ আসে।কাজী আব্দুল হাই সিদ্দিকীর,সহকারী কাশিমপুর ইউনিয়ন ছাড়াও পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের বিয়ে তিনি পড়ান।(নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) এক কাজী বলেন, আমরা যে বাল্যবিবাহ লোকে বললেও পড়ায় না, সেই বিবাহ কাজী আব্দুল্লাহ সিদ্দিকীর সহকারি কাজী মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কাজ করিয়া থাকেন।

আর এই সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তার স্থানীয় কিছু নেতা ও দুর্বৃত্তদের কার সাজিতে করে থাকেন।

তার ই ধারাবাহিক কার্যক্রম এক বাল্য বিয়ের অনুসন্ধান করা হয়,নাম অঞ্জলী খাতুন,(বয়স টিকার কার্ড ও জন্ম নিবন্ধন এবং স্কুল সার্টিফিকেট অনুযায়ী ০৫-০৭-২০০৫ ইং) পিতার নাম মোঃ রবিউল ইসলাম,গ্রাম কেফায়েতনগর পোষ্ট খোজার হাট থানা কোতয়ালী জেলা যশোর। ছেলের নাম মোঃ লিটন হোসেন পিতার মোঃ শহিদুল ইসলাম গ্রাম ফুলবাড়ী থানা কোতোয়ালি জেলা যশোর। এই বিবাহের অনুসন্ধান করতে গেলে গত ১৬ ই মে ২০২০ ইং তারিখ, মঙ্গলবার ৬নং কাশিমপুর ইউনিয়নের মুল কাজী মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দিকীর সহকারি শহিদুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে সে এই বিয়ে সম্পুর্ন অস্বীকার করে। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কাজীর দেওয়া নোটারী পাবলিক এর বিবাহের ঘোষনা পত্র ও সাথে রেজিঃ পাতার কপি অনুযায়ী (যাহা পুলিশি হেফাজতে আছে) দেখতে চাইলে সে (সহকারী কাজী) দেখাতে অস্বীকার করে, পরে ষড়যন্ত্র করে সাংবাদিক শামসুর রহমান নিরব কে কৌশলে আড়ালে রেখে তার বেপারোয়া বাহিনী দ্বারা অপর দুই সাংবাদিক ও সাথে থাকা একজনের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে।
প্রকাশ থাকে যে সাংবাদিকদের উপর হামলাকরার পেছনে সহকারী কাজী শহিদুল ইসলামের ইঙ্গিতে হয়েছে,
অন্জলী খাতুন এর মা জয়নব বানু বাদী হয়ে মেয়ে উদ্ধার চেয়ে মামলা করলে, সেই সুত্রে কোতয়ালী থানার পুলিশ গতকাল ৪ ই সেপ্টেম্বর রাত্রে নাবালিকা মেয়ে ও ছেলেকে আটক করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *