এম,এইচ দিনার,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের ত্যাগী নেতা কর্মিরা কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান আহবায়ক এডভোকেট আলহাজ্ব রুহুল আমিন দুলাল কে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ১নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত করার দাবী জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছে। তৃনমূল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জানান, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা যখন নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ও স্বীয় বলয় বিস্তারে তৎপর ঠিক সেই সময়ে আমাদের প্রিয় হাজী দুলাল ভাই সুখে দুখে আমাদের পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন নির্বাচনে দলের জন্য তথা দলীয় প্রতিকের হয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। আমাদের ছোট খাটো বিপদে আপদে আমরা তাকে সব সময়ে পাশে পেয়েছি। তাই এমন নেতা জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ পর্যায়ে আসলে তৃনমূল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা উপকৃত হবেন। বিভিন্ন উপজেলা ইউনিয়ন ঘুরে জানা যায় এডভোকেট রুহল আমিন দুলাল একজন দক্ষ সংগঠক,ত্যাগী পরিশ্রমী,সাদামনের একজন দলের জন্য নিবেদিত প্রান। আরো জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এ্যাডভোকেট আলহাজ্ব রুহুল আমিন দুলাল সাধারন সম্পাদকের পদ প্রত্যাশী ছিলেন এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন। দীর্ঘ দিন কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকের মতনৈক্যের কারনে করা সম্ভব হয়নি। দলীয় নির্দেশনা মোতাবেক এডভোকেট রুহুল আমিন দুলালকে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের ১নং যুগ্ন সাধারন সম্পাদক করা তৃনমুলের দাবী। তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের জন্য নানাবিধ পুরুস্কারে ভূষিত হন। সাংগঠনিক দক্ষতার বিশেষ অবদানের জন্য জয়বাংলা এওয়ার্ড ২০১৮লাভ করেন। আইন পেশায় বিশেষ অবদানের জন্য লিডারশীপ স্টার এওয়ার্ড২০১৮ গুনিজন সম্মাননা লাভ করেন। কুড়িগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ সমাজ সেবক হিসেবে মাদার তেরেসা স্বর্ণপদক ২০১৮ সহ বিভিন্ন পুরুস্কারে ভূষিত হন। এছাড়াও বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিভিন্ন নির্যাতন ভোগ করা সহ শিবির নেতা হত্যাকান্ডের আসামি, বেগম জিয়ার ছবি পোড়ানোর মামলার আসামি সহ অসংখ্য মিথ্যে মামলার আসামি হয়ে হয়রানির স্বীকার হন। এতো নির্যাতন সহ্য করেও আওয়ামীলীগের রাজনীতির ছেড়ে চলে যাননি।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আনুগত্য থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে একজন ক্ষুদ্র কর্মি হয়ে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করতে চান।
Leave a Reply