মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলাতে অর্থের অভাবে চিকিৎসা আটকে গেছে এসএসসি পরীক্ষার্থী মনিরের -দিশেহারা বাবা মা। মনির ঝিনাইগাতী উপজেলার ফাকরাবাদ একতা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র আগামী ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। মনির শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধ্যাকুড়া গ্রামের দিনমজুর আঃ করিমের ২য় ছেলে। গত ৪/৫ মাস যাবত অসুস্থ এমন সমস্যার কারণে বাম পায়ের উড়ো থেকে হাঁটু পর্যন্ত মূটা রগটা শক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে মনির চলাফেরা করতে পারে না এবং কি বুক থেকে ঘারের পিছন পর্যন্ত ব্যাথা এখন শুধু বিছানায় শুয়ে থাকতে হয় বসেও থাকতে পারেনা । অর্থের অভাবে এ অসহায় পরিবার চিকিৎসা করাতে পারছেনা।লুক মাধ্যমে এমন খবর পেয়ে সেখানে দৈনিক ডোনেট বাংলাদেশ পএিকার সাংবাদিক স্বরজমিনে দেখতে গিয়ে জুরুরি বৃত্তিতে ঝিনাইগাতী একজন গরিব প্রেমিক ডাঃ মফিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি সাংবাদিকে বলেন বাড়ি থেকে আমার চেম্বারে নিয়ে আসেন গাড়ি ভাড়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিব। সাংবাদিক মনিরের পিতা আঃ করিমকে নিজ পকেট থেকে গাড়ি ভাড়া দিয়ে ঝিনাইগাতীতে নিয়ে আসেন- ডাক্তার সাহেব মনোযোগ দিয়ে দেখলেন অবস্থা খারাপ বলে তিনি এদিকে চিকিৎসা হবে না – দুই টি টেস্ট লিখে দিলেন – টেস্ট গুলো করাতে হবে ময়মনসিংহে -ব্যায় বহুল। এই চিকিৎসার ব্যায় কোথা থেকে সম্ভব দিশেহাড়া হতবাগা বাবা -পাহাড় থেকে লাকড়ি সংগ্রহ করে ওই লাকড়ি বাজারে বিক্রি করে স্ত্রী, ঘরে বৃদ্ধ মা সহ ৪ সন্তান মোট ৬ জনের সংসার কোন রকম অতি কষ্টের মধ্যে খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে চলছেন । এরই মধ্যে গত ৫ মাস যাবত ছেলে মনির মারাত্মক অসুস্থ হয়ে বিছানায় রয়েছে। মনিরের পিতা আঃ করিম বিষয়টি ৫ জুন শুক্রবার সকালে স্থানীয় লুক মাধ্যমে সাংবাদিক দুদু মল্লিককে জানালে সাংবাদিক তৎক্ষনাত ঝিনাইগাতী মাজেদা ক্লিনিকের মানবিক ডাঃ মফিদুল হকের কাছে নিয়ে যায়। ডাঃ মফিদুল হক রোগীর বিষয় বস্তু জেনে কয়েকটি পরীক্ষা দিয়েছেন। সেই সাথে পরীক্ষাগুলো যাতে অল্প খরচে করে দেন তিনি ফোনে কথা বলেন ময়মনসিংহ পপুলার ক্লিনিকে তিনি আরও বলেন তিনার সাথে যোগাযোগ রাকতে ডাক্তার সাহেব এর সুন্দর পরামর্শ ভালো আচরণে রোগীর মা কেদে দিয়ে আল্লাহর কাছে দুআ করেছেন। ডাক্তারের প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে কিছু ঔষুধ লিখে দিয়েছেন।তা সাংবাদিক দুদু মল্লিক ঔষুধ গুলি নিজ টাকায় ক্রয় করে মনিরের বাবা মাকে বুঝিয়েদেন। মনিরের চিকিৎসার পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রায় বিশ হাজার টাকার প্রয়োজন অতিব জুরুরি- মনিরের মা বলেন, স্বামী দিনমজুরি করে যা উপার্জন করেন তা দিয়ে সন্তানদের পড়ালেখার খরচসহ খাদ্যের টাকা জোগানোই কষ্টকর। মনিরকে বাঁচাতে তার পিতা-মাতা দানশীল ও বিত্তবানদের সু -দৃষ্টি কামনা করছেন। সকলের নিকট দুআ কামনা করেন।
যোগাযোগ এর নাম্বার টা দিলে ভালো হয়তো -01967285319-01933736286
Leave a Reply