জহিরুল ইসলাম:
লম্বা লেজ,নোকগুলো বড় গায়ের রং কালো দোসর হনুমান টি গত ৩-৪ সপ্তাহ ধরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে। ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে ঘুরাঘুরি এক পর্যায়ে বাপাইল বিলের সুইজ গেইট এলাকায় আসলে সোমবার সকালে বাহাদুরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক সুকৌশলে হনুমানটি আটক করে।এতে হনুমানের কামড়ে এক যুবক আহত হয়।
আটকের পর বাহাদুরপুর মধু সরকার বাড়িতে হনুমানটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। হনুমান আটকের খবর পেয়ে আশে পাশের কয়েক গ্রামের মানুষ দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়। মধু সরকার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় রেন্ট্রি গাছের সাথে লোহার শিকলে বেঁধে রাখা হয়েছে হনুমানটিকে। সামনে খাবার জন্য দেওয়া হল কাঁঠাল ফল।
জানা যায় হনুমানটি ইউনিয়নের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামে বেশ কয়েকদিন গাছের ডালে ঘুরাঘরি করে গাছে আম খেয়ে ফেলছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গাছে ঢিল ছুঁড়ারর মাধ্যমে অত্যাচার করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে পূর্ব কামাল এলাকায় এসেও গাছের আম নষ্ট করে দিলে এলাকার কিছু যুবক ধাওয়া দিলে বাপাইল বিলের সুইজ গেইটের সামনে গাছে অবস্থান করে। পরে বাহাদুরপুর গ্রামের কিছু যুবক দেখে হনুমানটিকে অনেক কষ্টে কৌশলে আটক করে।
হনুমান আটকের খবর পেয়ে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বনবিভাগের লোক পাঠিয়ে হনুমানটি উদ্ধার করে চিড়িয়াখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।
২৩ জুন মঙ্গলবার সকালে বনবিভাগের কর্মকর্তা হনুমানটিকে উদ্ধার করে।
নান্দাইল বনবিভাগের রেঞ্চ বন কর্মকর্তা দীপংকর রায় জানান- হনুমানটি সম্ভবত কলা বা আনারসে ট্রাকে রাতের বেলায় এই অঞ্চলে এসেছে। হনুমানটি আমরা উদ্ধার করে টাঙ্গাইলের মধুপুর বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
Leave a Reply