শ্রীমঙ্গলের ব্যবসায়ীরা সরকারে নির্দেশনা মেনে সব দোকানপাট শপিংমল খুলতে পারবেন
মৌলভীবাজার জেলা
প্রতিনিধি, শামছুল ইসলাম সোহাগ।
নির্দেশনা মেনে রোজার ঈদকে সামনে রেখে ১০ মে থেকে সব ধরনের দোকান-পাট সপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্হ্যবিধি মেনে নিজ উদ্যোগে দোকানপাট খোলা রাখতে পারবেন ব্যবসায়ীরা।
উল্লেখ্য- রোববার ১০মে থেকে সারাদেশে সামাজিক দুরত্ব মেনে শর্ত সাপেক্ষে শপিংমল, দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার।
এদিকে বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের শপিং মল গুলো খোলা রাখা যাবে জানিয়ে জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সব বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের সোমবার নির্দেশনা পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এদিকে (৯মে) শনিবার বেলা ১২ ঘঠিকার সময় শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সাথে জরুরী বৈঠক করেন উপজেলা প্রশাসন ও শ্রীমঙ্গল থানা শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম।
এসময় উপস্তিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল-কমলগন্জ সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ মোঃ আশরাফুজ্জামান, শ্রীমঙ্গল থানা ওসি তদন্ত সোহেল রানা, ব্যবসায়ী সমিতির উপদেষ্ঠা মোঃ আছকির মিয়া, শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এসএম ইয়াহিয়া, সহ সভাপতি শামিম আহমেদ, সাধারন সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোঃ আকতার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান জুয়েল, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল বাছিত, প্রচার সম্পাদক ফারুক মিয়া, সদস্য মোঃ আমজাদ হোসেন বাচ্চু, সদস্য জাকির মিয়া, সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন পলাশ, প্রমুখ।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্যেশে বলেন সরকারের নির্দেশনা মেনেই আপনাদের ব্যবসা চালিয়ে যেতে হবে।
শপিংমল খোলা রাখতে ব্যবসায়ীদের যেসকল শর্ত মানতে হবে-
১. বড় শপিং মলের প্রবেশমুখে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
২. শপিং মলে আসা যানবাহনকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৩. বেচাকেনার সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
৪. দোকানপাট এবং শপিং মল বিকাল ৪টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, শপিং মলও বন্ধ রাখতে বলা হয়। ছুটি বাড়ার সঙ্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্যও একই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।
তবে ঈদ-উল ফিতর সামনে রেখে কয়েকটি শর্ত মেনে মার্কেট-শপিংমল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কেনাবেচার সময় সামাজিক (পারস্পরিক) দূরত্ব বজায় রাখাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বড় বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।