কুড়িগ্রামে ধান কাটা মাড়াই চলছে কৃষি শ্রমের মূল্য কম
রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রাম থেকেঃ
কুড়িগ্রামে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলে বোরো ধান কাটা-মারার মধ্যদিয়ে গত প্রায় দু’মাসে প্রাণঘাতী করোনা দূর্যোগের ছোবলে নিস্পেষিত স্বপ্ল আয়ের মানুষসহ খাদ্যাভাবে পরা অভাবী পরিবারের খাদ্য সংকট কিছুটা লাঘব হলেও ইতোমধ্যে ঋণ গ্রস্থ হয়ে পরা শ্রমিক পরিবার গুলোর মাঝে নেই কোনো উৎসবের আমেজ। গত বারের শ্রমের মূল্য থেকে তুলনা মূলক এবারে শ্রমের মূল্য অর্ধেকেরো কম হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকেরা অন্ধ ভবিষৎ লক্ষ্য করছেন। চলোমান করোনা দূর্যোগে সকল কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পর বাড়িতে বসে খেয়ে ঋণী হওয়া শ্রমিক পরিবার গুলো বর্তমান শ্রম বিক্রি করে ঋণের টাকা মেটাতে পারছেন না, তার উপর সংসারের ভার বহন করা তাদের পক্ষে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। অপরদিকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ধানের ভরা মৌসুমে স্থানীয় হাট-বাজারে ধানের পর্যপ্ত মূল্য। একদিকে ধানের বাম্পার ফলন অন্যদিকে কাঁচা ধানে বাজারে ন্যায্য মূল্য পেয়ে কৃষককুল উচ্ছসিত হয়ে পরেছে। এবারে ধানের ফলন হচ্ছে বিঘাপ্রতি প্রকার ভেদে (৩৩ শতক) প্রায় ২০-২৫ মণ। প্রকারভেদে স্থানীয় বাজারে ধান ক্রয়-বিক্রিয় হচ্ছে চিকন জাতের ব্রি-২৮ ধান মণপ্রতি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ব্রি-মোটা জাতের ধান ৬৭০ থেকে ৭২০ টাকায়। ধানের ফলন দেখে উপজেলা কৃষি বিভাগ মনে করছেন এবারে ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। ইতোমধ্য কৃষকের মাঠে উৎপাদিত ধান বাজারে আসতে শুরু হয়েছে এবং তারা ন্যায্য মূল্যের পাশাপশি পরিত্রাণ পাচ্ছেন করোনা কালের খাদ্য সংকটে পরা অভাবী মানুষ জন। উপজেলার উত্তর দলদলিয়া গ্রমের কৃষক কপিল উদ্দিন জানান,” এবারে ধানের আশানুরূপ ফলন ও বাজারে কাঁচা ধনে দাম ভালো পাচ্ছি। এ রকম দাম প্রতিবারে থাকার দরকার, তাহলে ধন উৎপাদনের প্রতি কৃষকের আগ্রহ বারবে। তবে শ্রমিকের মূল্য কম হওয়ার ব্যাপাবে লকডউন পরিস্থিতির মধ্যে কর্মহীন শ্রমিকরা এলাকায় অবস্থান করায় এবারে শ্রমিকের আমদানি ঘটার ফলে অভাবের তরনায় শ্রমিকরা অল্পমূল্যে শ্রম দিচ্ছেন বলে অনেকে বলছেন।