1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন

সিলেট দক্ষিণ সুরমার পদ্মা ডিপো এলাকায় ট্যাঙ্কলরী থেকে তেল চুরি ঢাকতে রিপনের সাজানো নাটক (ভিডিও)

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২০
  • ৫৩৩ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন
সিলেট প্রতিনিধিঃ   
সুকৌশলে জ্বালানি তেল চুরি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। পদ্মা ডিপোতে তেল সরবরাহকারী ট্যাঙ্ক-লরি থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার তেল চুরি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে এসব তেল বিক্রি করা হয় শতাধিক দোকানে। দোকানিরা বাজারমূল্য থেকে কমে কিনে তা বিক্রি করে থাকেন। এই তেল চুরি সিন্ডিকেটের সঙ্গে লরির চালক, হেলপার ও খুচরা দোকানিরা জড়িত। এমন কি কোম্পানির ডিপো সুপারের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অতীতে এ ধরনের অবৈধ কাজে কয়েকজনকে আটক করা হলেও থেমে থাকেনি তেল চুরির ঘটনা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সকালে ডিপোতে জ্বালানি সরবরাহের আগে ও পরে ডিজেল, পেট্রোল ও কেরোসিন বিক্রি করেন চালকরা। নগরীর দক্ষিণ সুরমার টেকনিক্যাল রোডের পাশেই পদ্মা তেল কোম্পানির ডিপো। এসব তেল বিক্রির খুচরা দোকানের অধিকাংশের লাইসেন্স নেই। মূলত চুরির তেল কিনে তা বিক্রিই তাদের মূল ব্যবসা।
পদ্মা ডিপোর আশপাশে রয়েছে অন্তত ৩০টি খুচরা তেলের দোকান। আর তেল চুরির মূলহোতা সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রিপন। ইকবাল হোসেন রিপন চক্র তেল চুরির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এর পূর্বে রিপন বৈদ্যুতিক মিটার চুরির সাথে জড়িত ছিলেন। বৈদ্যুতিক মিটার চুরির মামলায় ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন কারাগারেও ছিলেন। কয়েকদিন পূর্বে বরইকান্দির ফরিদ মিয়ার ছেলে ইজাজুল ও ফারুক মিয়ার ছেলে রিমু তেল চুরির দৃশ্য ক্যামেরা করলে ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সহযোগিরা ক্ষেপে যায়। সেই থেকে তাদেরকে গায়েল করতে বিভিন্ন কৌশল শুরু করে ইকবাল হোসেন রিপন চক্র। সেই ধারাবাহিকতায় গত ৩ এপ্রিল রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা সাধুরবাজারস্থ রোকেয়া এন্টারপ্রাইজ মালিক কে দিয়ে নাটকীয় ভাবে ছিনতাইর ঘটনা সাজায় ইকবাল হোসেন রিপন ও তার চক্র। পরে তড়িত গতিতে নাটকীয় ভাবে ইজাজুল ও রিমু’র নাম উল্লেখ করে একটি অবিযোগ এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় দায়ের করায় ইকবাল হোসেন রিপন। দেশের মানুষ আজ চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন। চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় ষড়যন্ত্র মূলকভাবে ইজাজুল ও রিমুর উপর নাটকীয় ভাবে হামলা চালিয়ে তাদের ব্যবহারিত মটর সাইকেল আটকে রেখে ছিনতাইর নাটক সাজান ইকবাল হোসেন রিপন চক্র।
সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়ন-২১৭৪ এর উপদেষ্টা ও রোকেয়া এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মোঃ ইউনুছ মিয়ার ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৫০ টাকা নিয়ে বসে আছেন ছিনতাইকারীদের জন্য তা অত্যন্ত হাস্যকর বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলছেন, ইজাজুল ও রিমুকে গায়েল করতে ও সমাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এধরনের নাটক সাজানো হয়েছে। অনুতপ্ত সুকৌশলে জ্বালানি তেল চুরি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। পদ্মা ডিপোতে তেল সরবরাহকারী ট্যাঙ্ক-লরি থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার তেল চুরি করছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে এসব তেল বিক্রি করা হয় শতাধিক দোকানে। দোকানিরা বাজারমূল্য থেকে কমে কিনে তা বিক্রি করে থাকেন। এই তেল চুরি সিন্ডিকেটের সঙ্গে লরির চালক, হেলপার ও খুচরা দোকানিরা জড়িত। এমন কি কোম্পানির ডিপো সুপারের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অতীতে এ ধরনের অবৈধ কাজে কয়েকজনকে আটক করা হলেও থেমে থাকেনি তেল চুরির ঘটনা। সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রায় প্রতিদিনই সকালে ডিপোতে জ্বালানি সরবরাহের আগে ও পরে ডিজেল, পেট্রোল ও কেরোসিন বিক্রি করেন চালকরা। নগরীর দক্ষিণ সুরমার টেকনিক্যাল রোডের পাশেই পদ্মা তেল কোম্পানির ডিপো। এসব তেল বিক্রির খুচরা দোকানের অধিকাংশের লাইসেন্স নেই। মূলত চুরির তেল কিনে তা বিক্রিই তাদের মূল ব্যবসা।
পদ্মা ডিপোর আশপাশে রয়েছে অন্তত ৩০টি খুচরা তেলের দোকান। আর তেল চুরির মূলহোতা সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রিপন। ইকবাল হোসেন রিপন চক্র তেল চুরির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এর পূর্বে রিপন বৈদ্যুতিক মিটার চুরির সাথে জড়িত ছিলেন। বৈদ্যুতিক মিটার চুরির মামলায় ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন কারাগারেও ছিলেন। কয়েকদিন পূর্বে বরইকান্দির ফরিদ মিয়ার ছেলে ইজাজুল ও ফারুক মিয়ার ছেলে রিমু তেল চুরির দৃশ্য ক্যামেরা করলে ইকবাল হোসেন রিপন ও তার সহযোগিরা ক্ষেপে যায়। সেই থেকে তাদেরকে গায়েল করতে বিভিন্ন কৌশল শুরু করে ইকবাল হোসেন রিপন চক্র। সেই ধারাবাহিকতায় গত ৩ এপ্রিল রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমা সাধুরবাজারস্থ রোকেয়া এন্টারপ্রাইজ মালিক কে দিয়ে নাটকীয় ভাবে ছিনতাইর ঘটনা সাজায় ইকবাল হোসেন রিপন ও তার চক্র। পরে তড়িত গতিতে নাটকীয় ভাবে ইজাজুল ও রিমু’র নাম উল্লেখ করে একটি অবিযোগ এসএমপির দক্ষিণ সুরমা থানায় দায়ের করায় ইকবাল হোসেন রিপন। দেশের মানুষ আজ চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন। চলছে লকডাউন। এমন অবস্থায় ষড়যন্ত্র মূলকভাবে ইজাজুল ও রিমুর উপর নাটকীয় ভাবে হামলা চালিয়ে তাদের ব্যবহারিত মটর সাইকেল আটকে রেখে ছিনতাইর নাটক সাজান ইকবাল হোসেন রিপন চক্র।
সিলেট বিভাগীয় ট্যাঙ্কলরী শ্রমিক ইউনিয়ন-২১৭৪ এর উপদেষ্টা ও রোকেয়া এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মোঃ ইউনুছ মিয়ার ৩ লক্ষ ১৮ হাজার ৫০ টাকা নিয়ে বসে আছেন ছিনতাইকারীদের জন্য তা অত্যন্ত হাস্যকর বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বলছেন, ইজাজুল ও রিমুকে গায়েল করতে ও সমাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতে এধরনের নাটক সাজানো হয়েছে।
 সূত্র দৈনিক সিলেটের দিনকাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121