মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি- শামছুল ইসলাম সোহাগ :-
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের মার্কেটগুলোতে ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। করোনাভাইরাস আতঙ্ককে উপেক্ষা করে উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে ছিলো ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। শহরে যানবাহনও ছিলো প্রচুর।
স্বাস্থ্যবিধির কোনো তোয়াক্কা না করেই ধাক্কাধাক্কি করে চলছে কেনাকাটা। করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হওয়ার নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছেন তারা।
করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের মতো গোটা বাংলাদেশ যখন আতঙ্কৃত। তখন শ্রীমঙ্গল মার্কেট গুলোতে আসা মানুষের কারও মাঝে নেই আতঙ্কের কোনো ছাপ। মার্কেটে ঢুকলে মনে হবে দেশে করোনা নামক কিছুই নেই শ্রীমঙ্গলে।
ইতিমধ্যে শ্রীমঙ্গলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫জন। এর মধ্যে কেউ সুস্থ হয়নি। সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নিলেও তা কাজে আসছে না। মাইকিং সহ নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার অব্যাহত থাকলেও তা মানা হচ্ছে না শ্রীমঙ্গল হাট-বাজারগুলোতে।
সরেজমিনে রবিবার (১৭ মে) শ্রীমঙ্গল শহরের বাজার ঘুরে দেখা যায়, শপিংমলসহ অলি গলিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব না মেনে এবং অনেকেই মাস্ক ব্যবহার না করে কেনাকাটা করছেন।
সামাজিক-শারীরিক দূরত্বতো দুরের কথা মানুষ একে অপরের সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে মেলামেশা করছেন।সামজিক দূরত্ব বজায় রাখা, জীবানুনাশক ব্যবহার করা, মাক্স ও হ্যান্ডগ্লাভস ব্যবহার করাসহ সরকারি সিদ্ধান্তের মোট আটটি শর্তের একটিও মানছে না অনেকেই। বিধি নিষেধের তোয়াক্কা না করেই, কেনা কাটায় জমে উঠেছে শ্রীমঙ্গল ঈদ বাজারে।
তবে কিছু কিছু মার্কেট ও দোকানে সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও বেশিরভাগ মার্কেট ও দোকানে স্বাস্থ্যবিধির ব্যবস্থা দেখা যায়নি। কাপড়ের দোকানে বেশি মহিলা ও ছোট ছোট শিশু-কিশোরদের লক্ষ করা যায় ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা জানান, ঈদের আর মাত্র ৭/৮ দিন বাকি। ঈদে বাচ্চাদের নতুন জামা কাপড় কিনে দিতে হবে। তাই নতুন কাপড় কিনতে এসেছি। কেনাকাটা করতে এসে তো সবসময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা যায় না।
অন্যদিকে অনেক ব্যবসায়ী জানান, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ব্যতীত সকল শপিংমল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও কিছুদিন বন্ধ রাখা উচিত।
Leave a Reply