August 24, 2026

শার্শায় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে জাতীয় মেডেল নিলামে বিক্রি করতে চান দেশ সেরা উদ্ভাবক মিজান

0
received_847148905797954

 

কামাল হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

 

করোনা ভাইরাস সংক্রমণে যখন গোটা বিশ্ব স্তব্ধ, একের পর এক দেশ মৃত্যুপুরী ঠিক সেই মুহুর্তের মধ্যেও সাধারণ মানুষের মাঝে একটু সচেতনতা ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জন্য কিছু করতে পারি এই ব্রত নিয়ে এগিয়ে চলেছেন শার্শার গর্ব দেশসেরা উদ্ভাবক মিজানুর রহমান।

বর্তমানে করোনা ভাইরাসের এই পরিস্থিতিতে নিজেকে হোম কোয়ারেন্টিন বা লকডাউনে রাখতে পারেননি তিনি। প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিদিন ছুটে চলেছেন এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায়।

দেশের এই মহামারিতে গরীব অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে চান দেশ সেরা এই উদ্ভাবক মিজানুর রহমান মিজান। এলক্ষে পরিবেশ সুরক্ষা এবং তার বিভিন্ন উদ্ভাবনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজ হাত থেকে নেওয়া জাতীয় মেডেলটি সহ জীবনের সব পাওয়া উপহার সামগ্রী নিলামে বিক্রয়ের ঘোষণা করছেন দেশ সেরা এই উদ্ভাবক মিজান।

তিনি বলেন করোনাভাইরাস এর কারণে অসহায়-দুস্থ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য মেডেল বিক্রির অর্থ অসহায় দুস্থ ভ্যানচালক সহ লক ডাউনে থাকা সব শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই দেশ ও জাতির কল্যানে।

বিশ্ব মহামারী করোনাভাইরাস এর কারণে আমরা মানব জাতি মহা বিপদে আছি। কিছু খেটে খাওয়া মানুষ লকডাউনে থাকার কারনে কাজ করতে পারছে না, এবং তাদের খাওয়ার কষ্ট হচ্ছে তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আমার এই মেডেল গুলো নিলামে বিক্রয় করব। মেডেলটি বিক্রয়ের সম্পূর্ণ টাকা করোনা ভাইরাস এর কারনে কর্মহীন মানুষদের মধ্যে বিতারন করবো কারন অনেক খেটে খাওয়া মানুষ দু বেলা দু মুঠো খাবারে জন্য কষ্ট পাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, জীবনে কি পেয়েছি কি পেলাম না, কি রোজগার করেছি, জীবনের কত মুল্যবান জিনিস হারিয়েছি এখন এই দূর্যোগ মুহূর্তে ভাবার সময় নেই। সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ হলেও এখনও সমাজে অনেক মানুষ আছে যারা ঐ সমস্ত ত্রাণ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

তাই আমার জীবনের সব থেকে সেরা এবং মূল্যবান জিনিস গুলো বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে ঘর বন্দি অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিতে চাই।

জাতীয় মেডেলটি নিলামে নিতে ইচ্ছুক সর্বোচ্চ মূল্য দাতাকে যোগাযোগের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মোবাইল নং- 01718848377

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *