রুহুল আমিন রুকু কুড়িগ্রামঃ
কুড়িগ্রামের উলিপুরের মোল্লারহাটে সরকারি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আতঙ্ক দেশ এই মুহূর্তে চলছে চায়ের দোকানে বাজারে জমজমাট ভির সচেতনতা করা হলেও তা যেন মানছে না। চায়ের দোকান বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীর মালিকগণ সহ সাধারন জনগন। সরেজমিনে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদীর অবহিত দক্ষিন বালাডোবা গ্রামের এক নামে পরিচিত সাপ্তাহিক মোল্লারহাট প্রতি সপ্তাহে দুই দিন বসে সোমবার ও শুক্রবার এ হাটে পার্শ্ববর্তী প্রায় ৫টি ইউনিয়ন থেকে লোক সমাগম হয়ে থাকে। ১৩ এপ্রিল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় লক্ষ্য করা গেছে প্রায় আড়াই হাজার লোকের জনসমাগম। সামাজিক দূরত্ব ও নেই মাস্ক ব্যবহার বিভিন্ন দোকানপাট, কাঁচা বাজার ও মাছ বাজারে উপচে পড়া ভিড়। তাছাড়া পার্শ্ববর্তী কড্ডার মোড়ে অহেতুক ঘোরাফেরা । অনেকের নেশা অহেতুক বাজারে চলাফেরা নিত্যদিন। যাহা আইনবহির্ভূত স্থানীয় চোৌকিদার কোবাদ আলী বাজারে নিষেধাজ্ঞা করলেও তাকেও তোয়াক্কা করে না কেউ। উক্ত চৌকিদার জানান আমি ডিউটি করতেছি এত লোকের সমাগম নিয়ন্ত্রণে আমারদের পক্ষে সম্ভব না। চৌকিদার আব্দুস সামাদ জানান বিভিন্ন সময় আমরা ডিউটি করলেও স্থানীয় জনসাধারণ আমাদের তোয়াক্কা করে না। হাট ইজারাদার আয়নাল হক জানান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি নীতিমালা পৃথক পৃথক ভাবে ঘোষণা করা হলেও প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় তা কেউ মানছেন না। ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন পৃথক পৃথক ভাবে মাইকিং এবং বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারি নীতিমালা মেনে চলার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান। কিন্তু তা তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গা থেকে কাজে থাকা লোক বাড়িতে ফেরত আশায় লোকসমাগম বেশি হচ্ছে তাই প্রশাসন ছাড়া কিছুতেই মানা যাচ্ছেনা জনসমাগম ও সামাজিক দূরত্ব। এ ব্যাপারে ১৩ এপ্রিল রোববার উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মোয়াজ্জেম ‘সাহেবের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান উক্ত এলাকার হাট-বাজার নিয়ন্ত্রণে নামাজের চর পুলিশ তদন্তকে দায়িত্বভার দেওয়া হয়েছে। তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে স্বয়ং উপস্থিত থেকে হাট বাজার নিয়ন্ত্রণ করবেন। এ ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের নামাজের চর পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত এসআই তাসভিরুল ইসলাম এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান আমাদের নৌকা দিয়ে তিন ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে হয়। এর আগে আমরা সচেতন করেছি উল্লেখিত হাটের জন্য স্থানীয় ৬ জন গ্রাম পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি আমি আবারও খোঁজখবর নিচ্ছি। এলাকায় অনেকের মাঝে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন এলাকাবাসী।
Leave a Reply