কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
বিশ্ব এখন প্রাণঘাতী নোবেল করোনাভাইরাসের থাবায় এক দেখি লাশের সারি দিনদিন আক্রান্ত বৃদ্দি। জেলায় লকডাউন তাই এ পরিস্থিতিতে মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে মানুষগুলো চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। এই মুহূর্তে তাদের মুখে খাবার তুলে দিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ও রৌমারী উপজেলার কর্তিমারী হাট-বাজারের নৈশ-প্রহরী আজাহার আলী। করোনার প্রভাবে বাজারের হোটেল-রেস্তরাসহ বেশিরভাগ খাবারের দোকান বন্ধ থাকায় তারা খাবার খেতে পায় না। এই অসহায় মানুষগুলোর কথা চিন্তা করে তাদেরকে এক বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন তারা।
কর্তিমারী বাজারের নৈশপ্রহরী আজাহার আলী জানান, ‘মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর সহায়তায় প্রতিদিন রান্না করা খাবার বাজারে থাকা পাগলদের মাঝে বিতরণ করা হয়। করোনাকালে নিজে এ অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি মাত্র।’ মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম স্ত্রীকে নিয়ে কর্তিমারী বাজার এলাকার আলহাজ ইস্রাফিল হকের বাড়িতে থাকেন। যোগ করেন ওই নৈশ-প্রহরী।’
মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে ভবঘুরে মানুষগুলো যে কতটা মানবেতর জীবন যাপন করছেন তা চোখে না দেখলে বুঝার উপায় নাই। তাই সাধ্যমত চেষ্টা করছি তাদের পাশে দাঁড়ানোর।’ যতদিন পর্যন্ত করোনার এ প্রভাব স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাদের এ খাদ্য সহায়তা চলবে। যোগ করেন মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম।স্থানীয়রা জানান, কর্তিমারী বাজারে সব সময় ৮-১০জন ভবঘুরে পাগল থাকে। গত ১০/১২দিন থেকে বাজারে থাকা এসব ভবঘুরে পাগলদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধা।
Leave a Reply