1. accessinfotechlimited@gmail.com : admi2019 : Crime Talash 24
  2. eleas015@gmail.com : ILIAS HOSEN : ILIAS HOSEN
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

শেরপুরে আনাচে কানাচে করাত কল – অসাধু কর্মচারী খবর পৌঁছে দেয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ২১৭ বার পঠিত
ই - পেপার দেখুন
ই - পেপার দেখুন

 

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ঝিনাইগাতি, শ্রীবরর্দী ও নালিতাবাড়ী।এই তিন উপজেলা ঘিরে রয়েছে সরকারের সংরক্ষিত অর্পিত বিশাল বনাঞ্চল।সরকারের আইন অনুযায়ি সংরক্ষিত, ব্যায় বহুল খরচে লাগানো বাগানের পাশাপাশি শাল ও সেগুন কাঠের বাগান। কোন ধরনের সরকারি বন ভূমির সীমানা হইতে নূনতম ১০ কিঃমিঃ মধ্যে করাত কল(স’মিল) স্থাপন করা যাবে না।করাত কল স্থাপনের আগেই সরকারি অনুমোদন নিতে হয় । প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার পূর্বে বা পরে কোন করাতকল পরিচালনা করা যাইবে না।উক্ত বিধান লংঘন করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।এই বিধি বিধান লংঘন করে ওই তিন উপজেলায় বনাঞ্চলের এক থেকে পাচ কিঃমিঃ মধ্যে প্রায় ৩০টি, ১০ কিঃমিঃ এর মধ্যে ৫৫টি স’মিল অবৈধভাবে চলছে রাতদিন।এতে উজার হচ্ছে বনের গাছ।জানা গেছে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স’মিল স্থাপনের জন্য সংশিস্নষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি,সর্বশেষ বন বিভাগ থেকে নিবন্ধন নিতে হয়।লাইসেন্স বাধ্যতামূলক হলেও কেউ মানছে না আইন।আর সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এখানে ফরেস্ট অফিসের অভিযোগ আমরা ইচ্ছে করলেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে পারিনা সেখানে একজন নির্বাহী কর্মকর্তা বা মেজিষ্ট্রেট দরকার হয় প্রয়োজন মতো পাওয়া যায় না। এদিকে ইচ্ছা মতো বসানো হচ্ছে করাত কল ।সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দাপটের সাথে চিরাই করা হচ্ছে গাছ ।রাতের অন্ধকারে পাহাড় থেকে কাটা চোরাই পথে আসা গাছ দিয়েই চলছে অধিকাংশ কাট চিরাই স’মিল ।স্থানীয়দের অভিযোগ বন বিভাগের এক শ্রেনী অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারি ও কিছু নেতাদের লেনদেনের মাধ্যমেই তদবিরে আশ্রয় প্রশ্রয়ে গড়ে উঠছে এসব স”মিলি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অবৈধ স’মিল মালিক বলেন আমরা মাসোহারার টাকার বিনিময়ে কখন মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় আসবে আগে থেকেই আমাদেরকে জানিয়ে দেয় যার ফলে আগেই আমরা সতর্ক সংকেত পেয়ে বন্ধ রেখেদেই এসে দেখে মিল ছিল বর্তমানে আর নেই যার কারণে আমাদের অনেক টাকা চলে যায় তাদের পকেটে। অবৈধ স’মিল থেকে মাসোয়ারা নেওয়া হয় বলে যে অভিযোগ তার সত্যতাও পাওয়া গেছে। অনেক আংশে যদিও বড় বড় অফিসার মাসোহারা নাও নেন উনার আন্ডারে ছোট ছোট কর্মচারী এসব নিয়ে থাকেন যার ফলে অফিসার যাওয়ার আগেই মোবাইলে সর্তক করেদেন ।বন বিভাগের তথ্যমতে ওই তিন উপজেলায় অন্তত ১শ ৭৫টি স’মিল রয়েছে ।যার মধ্যে লাইসেন্স আছে মাত্র ২৮টির।।তিনটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা শ্রীবরর্দী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায়।শ্রীবরর্দী উপজেলায় মোট স’মিল আছে ৭৫টি।আর লাইসেন্স আছে ৯টির, লাইসেন্স এর জন্য আবেদন আছে ৯টি।শ্রীবরর্দী উপজেলার বন সংলগ্ন রাণি শিমুল ইউনিয়নের আনাচে কানাছে গড়ে উঠেছে স’মিল,সরকারি হিসাবেই বনাঞ্চচলের মধ্যে ১৭টি স’মিল চলছে।এখানে বন বিভাগের লোকেরাও অসহায়।নালিতাবাড়ী উপজেলায় মোট স’মিলের সংখ্যা ৭০টি।এর মধ্যে নিবন্ধন আছে ১৫টির।নিবন্ধনের আবেদন আছে আরও ১০টির মত।২০টির মত স’মিল আছে বনাঞ্চলের মধ্যে।ঝিনাইগাতি উপজেলায় স’মিলের সংখ্যা ৩০টির মত।নিবন্ধন আছে মাত্র ৪ টির।উপজেলার বনাঞ্চল ধানশাইল ইউনিয়নের বাগিরভিটা এলাকায় বনের আয়ত্তে আছে ৪টি করাত কল।স’মিল মালিকদের অনেকের অভিযোগ আবেদন করেও বছরের পর বছর ধরে লাইসেন্স পাওয়া যাচ্ছে না। সহকারি বণ সংরক্ষক ড.প্রাণতোষ চন্দ্র রায় বলেছেন লোকবল সংকট,রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও কিছু অসাধু কর্মচারীদের কারনে ব্যবস্থা নিলেও আবার সেই আগের অবস্থায় চলে আসে।মোবাইল কোর্টের জন্য বারবার আবেদন করেও প্রশাসনের ব্যস্ততার কারনে তিনারা সময় দিতে পাচ্ছেন না।বনাঞ্চল থেকে স’মিল সরাতে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এই কর্মকর্তা জানান। শ্রীবরর্দী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার জানিয়েছেন অতিসত্বর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।তবে এলাকাবাসী বলেন বিষয়টি শুধু মোবাইল কোর্ট দিয়ে সমাধান নয়! বন বিভাগকে আরও সক্রিয় হতে হবে নির্বাহী কর্মকর্তাদের নজর ও সময় দিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 Crimetalash24.com
Customized By SuperSoftIT
themesbazcrimetala121