মোঃনয়ন শেখ,স্টাফ রিপোর্টার:
নড়াইলের লোহাগড়ার নোয়াকগ্রাম ইউনিয়নের
ব্রাক্ষণডাঙ্গা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ভূমিহীন মোট ৮ টি ব্যারাকের ৪০ টি ঘরের মধ্যে ৭ টি ঘর বিক্রয় করে ভোগ দখল দিয়ে খাচ্ছেন বলে অভিযোগ দিয়েছেন সেখানকার লোকেরা।
অভিযোগ পেয়ে উল্লেখিত স্থানে গেলে দেখা যায় যে, ২ নং ব্যারাকে ১ নং ঘরে মো ইলিয়াস আলী পিতা মৃত সৈয়দ আযুব আলী ২ নং ঘর মেহেরুন বেগমের নামে।ইলিয়াস ও মেহেরুন ভাই বোন।৩নং ঘর মো আলী কাজী পিতা আমানত কাজী ৪নং ঘর মো আমানত কাজী ।আলী ও আমানত বাপ ছেলে। ৩ নং ব্যারাকে ৩নং ঘর রাহিমা বিবির নামে থাকে আর একজন। ৫নং ব্যারেকে ৩নং ঘর আজিজুল শেখ পিতা আব্দুল হালিম শেখ বাড়ী ব্রাক্ষণডাঙ্গা বিক্রয় করে নার্গিসের কাছে।৪নং ঘর কহিনুর বেগম পিতা মৃত সামছুর গাজী বাড়ী ব্রাক্ষণডাঙ্গা বিক্রয় করে নার্গিসের কাছে । নার্গিসের বাড়ী জালালসী পিতা হাসেম কাজী।
৬নং ব্যারাকে ২নং ঘর মো শরাফত শেখ পিতা মৃত মিকাইল মেখ গ্রাম ব্রাক্ষণডাঙ্গা বিক্রয় করেন মো করিমের কাছে ১৯০০০ টাাকায়।৪নং ঘরর মো তায়জুল শেখ পিতা মৃত মজিদ শেখ।৫নং ঘর মোসা রুবিয়া বেগম স্বামী মৃত রাজা মিয়া মোল্যা বাড়ী রায়গ্রাম।৪নং ও ৫নং ঘর তায়জুল ও রুবিয়ার থেকে ক্রয় করেন মো শরাফত শেখ ৩০০০০ টাকা দিয়ে।শরাফত ২নং ঘর নিজের নােেমের টা ১৯০০০ টাকায় বিক্রয় কওে ৪ ও ৫ নং ঘর ক্রয় করেন।৪নং ঘর থেকে নায়েব শরাফতকে নামিয়ে দিয়ে সেলিনা বেগম কে ঘরে উঠিয়েছেন। ৭নং ব্যারাকে ২নং ঘর সাইদুল পিতা আহমদ সানা ৩নং ঘর রহিমা বেগম দুইজনে মা ছেলে বাড়ী ব্রাক্ষণডাঙ্গা।৪নং ঘর গোলাম কুদ্দুস মীনা পিতা আলেক মীনা বাড়ী ব্রাক্ষণডাঙ্গা থাকে মেয়ে সালমা। ৮নং ব্যারাক ১নং ঘর আছিয়া বেগম ব্রাক্ষণডাঙ্গা এক মাস থেকে চলে গেছে ।আগে মাঝে মাঝে আসতো ঘর দেখে আবার চলে যেতো । গতএক বছর আসে না তালা দেওয়া থাকে।২নং ঘর রাসেল পিতা মুন্নাফ বাড়ী ব্রাক্ষণডাঙ্গা বিক্রয় করে দেয় নার্গিসের কাছে।৩নং ঘর সোহাগ পিতা অঅকরাম বাড়ী ঝালকাঠি কিন্তু ভুল ঠিকানা (ব্রাক্ষণডাঙ্গা ) দিয়ে ঘরটি নেয়।ঘরটি ১০০ টাকার স্টাম কিনে স্টাম ফাকা রেখে ঘরটি বিক্রয় করে দেয় ১৫০০০ টাকায় গুচ্ছগ্রামের সাধারন সম্পাদক লিটনের কাছে। লিটন ঘরটি ক্রয় করে ভাড়া দেয়।
ঘর বেচা কেনার বিষয়ে সভাপতির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এবং সাধারন সম্পাদক লিটনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তিনি বলেন এখানে আমিও একটি ঘর কিনেছি সবাই সেটা জানে। আমারটা বাদেও আরো ৬ টা ঘর কেনাবেচা হয়েছে। সে ঘর গুলো ছেড়ে দিলে আমারটাও ছেড়ে দিব। সাধারণ সম্পাদক লিটন কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আপনারা যে ঘর কেনাবেচা করেছেন নায়ক সাহেব মোঃ ইউনুচ বিষয়টি কি তিনি জানেন তারই প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন নায়েব সাহেব সবটাই জানে তিনিও তো এর মধ্যেই একটি ঘর বিক্রি করেছেন এবং বাকিগুলোর থেকে টাকা খেয়েছেন।এদিকে নায়েব সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না তার নামে আনীত অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) রাখি ব্যানার্জি বলেন এবিষয়টি আমার কানেও এসেছে দ্রুতই এর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Leave a Reply