স্টাফ রিপোর্টারঃ
গত ১০/০৪/২০২০ ইংরেজী তারিখে “পিযুষ কান্তি দে -কে মাদক দিতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মী গ্রেফতার” শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে উক্ত সংবাদ দেখে আমরা তার পরিবারের সদস্যরা গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছি। প্রকৃতপক্ষে পিযুষ কান্তি দে বিগত ১১/০৯/২০১৯ ইং তারিখ হইতে দুই (২)টি মামলায় গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছে। কারাগারে থাকাকালীন সময়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরবর্তীতে কারা কতৃপক্ষ তাকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে। ঢাকা সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বর্তমানে পিযুষ কান্তি দে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার মেরুদন্ডের হাড়ে ফ্রেকচার সহ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, কিডনী সমস্যা সহ বিভিন্ন সমস্যা চিকিৎসকরা সনাক্ত করেছেন। বর্তমানে সে গুরুতরভাবে অসুস্থ অবস্থায় শয্যাশায়ী। এমতাবস্থায় জাহেদ নামে কথিত এক ব্যক্তির নামের সাথে পিযুষ কান্তি দে -এর নাম জড়িয়ে সংবাদ পরিবেশন আমাদের পরিবারের জন্য হতাশাজনক এবং দুঃখজনক। কথিত জাহেদ নামের ব্যাক্তির সাথে পিযুষ কান্তি দের কোন যোগাযোগ নেই এমনকি উনি জাহেদ নামের এই ব্যক্তিকে চিনেন ও না। পিযুষ কান্তি দে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে একসময় জড়িত ছিলেন বা বর্তমানে তিনি স্বেচ্ছাসেবকলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত কিন্তু জাহেদ নামের উক্ত ব্যক্তি কখনোই উনার সাথে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলো না। সাংবাদিক ভাইয়েরা পিযুষ কান্তি দে বা আমাদের পরিবারের কারো সাথে যোগাযোগ না করেই একতরফা যে সংবাদটি প্রকাশিত করেছেন তা আমাদের গভীরভাবে ব্যাথিত করেছে। কোন ব্যক্তি যদি কোন বে-আইনী কাজে পিযুষ কান্তি দে-এর নাম জড়িয়ে কোন বক্তব্য প্রদান করে তাহলে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকলো। একইসাথে অনুরোধ সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ থাকলো দয়াকরে আপনারা উভয়পক্ষের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ পরিবেশন করবেন। একজন অসুস্থ মানুষ যেন আর লাঞ্চনার শিকার না হন, সেইদিকে আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখার অনুরোধ থাকলো।
– পিযুষ কান্তি দে’র পরিবারবর্গ।
Leave a Reply